স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আজহারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এ ধরনের গরম আরো কয়েক দিন পড়তে পারে। তবে গত ১৪ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি। গতকাল ছিলো ৩৪ দশমিক ২ ডিগ্রি। আকাশে মেঘের ছায়া দেখা গেলেও বৃষ্টি হওয়ার লক্ষ্মণ কিন্তু দেখা যাচ্ছে না। গ্রামাঞ্চলে মানুষ মেঘের জন্যে প্রতিনিয়তই প্রার্থনা, নিয়ত-মানত করেই চলছে। তবু তারা বৃষ্টির দেখা পাচ্ছে না। দিনের তাপদাহের তুলনায় রাতের তাপদাহ অনেক বেশি। তাছাড়া শহর এলাকায় রাতে বিদ্যুতের লোডশেডিং দেখা দিলে তো আর কথাই নেই। এ তীব্র গরমের কারণে চাঁদপুর জেলাসহ সকল উপজেলায় দেখা দিয়েছে নানা রোগ। এর মধ্যে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যাই অনেক বেশি। মতলব আইসিডিডিআরবি কলেরা হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ শেখরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রতিদিন গড়ে ৮৮ জন করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী আমাদের কাছে চিকিৎসা নিতে আসছে। তবে এ রোগটি অতি গরমের কারণেই হয়ে থাকে। বয়স্ক ব্যক্তির চেয়ে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। চাঁদপুর জেলার সকল উপজেলা, কুমিল্লা, চান্দিনা, দাউদকান্দি, নোয়াখালী, হাতিয়া, রামগতি, ফেনী, লক্ষ্মীপুরসহ এসব এলাকার রোগীই বেশি আইসিডিডিআরবিতে চিকিৎসা নিতে আসছে। গত এক সপ্তাহে প্রায় সোয়া ৬শ’ রোগী চিকিৎসা নিয়েছে। তাছাড়া খরতাপের কারণে জেলার প্রতি উপজেলায় আবাদকৃত ফসলের জমি পানির অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে আছে। এর ফলে কৃষকরা নানা দুশ্চিন্তায় পড়েছে। একটু বৃষ্টির জন্য তারা সৃষ্টিকর্তার কাছে নিয়ত-মানত ও প্রার্থনা করে চলছে।
