
স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটি বিলুপ্তির দাবি। গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী ভাবে বিবাহিতকে সাধারন সম্পাদক করায় চাঁদপুর জেলা ছাত্রলীগের ঘোষিত কমিটি বিলুপ্তির দাবী করে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আরিফ হোসেন। তিনি নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. পারভেজ করিম বাবু বিবাহিত বলে অভিযোগ করেন। একইসঙ্গে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি নবগঠিত এ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করার জন্যও কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে একটি আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন। আবেদনপত্রে জেলা ছাত্রলীগের পক্ষে লেখা হয়েছে সহ-সম্পাদক আরিফ হোসেনের নাম। আবেদনের সঙ্গে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক পারভেজ করিম বাবুর বিয়ের প্রমাণ হিসেবে নোটারি পাবলিকের কার্যালয়, চাঁদপুর -এর একটি এফিডেভিটের কপিও সংযুক্ত করা হয়। ওই এফিডেভিটে দেখা যায়, ২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ছাত্রলীগ নেতা মো. পারভেজ করিম (বাবু)। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার তালতলা এলাকার মৃত মোফাজ্জল হোসেন ও পারভীন বেগমের ছেলে। বাবু সদর উপজেলার পুরানবাজার পশ্চিম শ্রীরামদী লোহারপুল এলাকার বাসিন্দা হাজী আবুল বাশার ও জাহানারা বেগমের মেয়ে নূসরাত জাহানের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২ লাখ টাকা মোহরানা ধার্য্য ও ৫০ হাজার টাকা ওয়াশিলান্তে তারা ইসলামী শরা-শরীয়তের বিধানমতে বিবাহ করেন। তাদের এই বিবাহ চাঁদপুর নোটারী পাবলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করেন অ্যাডভোকেট লক্ষ্মী রানী দত্ত।
জেলা ছাত্রলীগের এক নেতা বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের ২৩ (ক) বিধিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে বসানো হয়েছে।
এদিকে বিবাহিত ব্যক্তিকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
