শাহারিয়ার খান কৌশিক ॥
চাঁদপুর শাহারাস্তি উপজেলায় পোষ্ট অফিসের এসএলএস মজিবুল হক সুমন জাল টাকার ব্যবসা করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার বিকেল ৩টায় ওয়ারুক বাজার এলাকায় সুমনের দেওয়া সাড়ে ৭ হাজার টাকার জাল নোট খতেজা বেগম (৪০) এর কাছ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, শাহারাস্তি উপজেলার বলসিত গ্রামের নজির আহমেদের মেয়ের জামাইয়ের কাকিরতলা ওয়ার্কসপ থেকে ৬৫ হাজার টাকার মালামাল নেয় ছেংগাচল গ্রামের মজুমদার বাড়ির সিরাজ মজুমদার। দেনাকৃত ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পরে বাকি টাকা না দেওয়ার নজির আহমেদকে নিয়ে তার জামাই থানা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শফিউল আলমের শরনাপন্ন হয়। সিরাজ ও তার আত্বিয় শাহারাস্তির পোষ্ট অফিসের এসএলএস সুমনকে নিয়ে শালিশী বৈঠক পাওনাকৃত ১৫হাজার টাকার মধ্যে ১৩ হাজার টাকা পরিশোধের জন্য বলা হয়।গত শুক্রবার সেই টাকা সিরাজ তার আত্বিয় মজিবুল হক সুমনের মাধ্যমে নজির আহমেদের কাছে পাঠায়। মজিবুল হক সুমন ১৩ হাজার টাকার জাল নোট নিয়ে নজিরের স্ত্রী খতেজা বেগমের কাছে দিয়ে আসে।সেই টাকা নিয়ে বাজা করতে খতেজা বেগম বাজার করতে এসে দোকানদার এর কাছে দিলে টাকা জাল নোট হওয়ায় তার সাথে হট্রগোলের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শাহারাস্তি থানার সেকেন্ড অফিসার মান্নান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাড়ে ৭ হাজার টাকার জাল নোট জব্দ করে। খতেজা বেগমের পুলিশকে জানায়,পোষ্ট অফিসের এসএলএস মজিবুল হক সুমন জাল নোটজুলো তাকে দিয়েছে। এ ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় পুলিশ খতেজা বেগমকে ছেড়ে দেয়। এছারা পোষ্ট অফিসের এসএলএস মজিবুল হক সুমন কিছুদিন পূর্বে মেহের বাজারে দোকানদারের কাছ থেকে সদাই নিয়ে জাল নোট দিয়ে পালিয়ে যায়। সেই টাকা দোকানদার বাজার কমিটির কাছে জমা দেয়। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় পোষ্ট অফিসের এসএলএস মজিবুল হক সুমন তার চাকুরীকে সাইনর্বোড করে জাল নোটের ব্যবসা ও ইয়াবার স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। শাহারাস্তি থানার জনৈক পুলিশের সাথে আতাত সর্ম্পক রেখে এ ব্যবসা করে আসছে। এ ব্যপারে শাহারাস্তি থানার সেকেন্ড অফিসার মান্নান জানায় জাল নোট গুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠিয়ে যাচাই করার পর মাললা দায়ের করা হবে। এ ঘটনায় এসএলএস মজিবুল হক সুমনের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে প্রমান পাওয়া গেছে।

