হাজীগঞ্জে সরকারি খাল থেকে ২টি অবৈধ ড্রেইজার উচ্ছেদ, মালামাল জব্দ ও ড্রেজার পাইপ ভাংচুর করে গুঁটিয়ে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। ঘটনাটি গতকাল ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় উপজেলার ৬নং বড়কূল পূর্ব ইউনিয়নের মধ্য বড়কূল গ্রামের হাজীগঞ্জ ডাকাতিয়া নদীর তীর গ্রেশা কোদালিয়া খালের উপর ভাঁসমান দু’টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন সরেজমিনে উচ্ছেদ অভিযান চালায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মুর্শিদুল ইসলাম।
এ দু’টি ড্রেজারের মালিক মধ্যবড়কূল গ্রামের আঃ রশিদ মিয়ার ছেলে মোঃ মোস্তফা। ওই সময় ঘটনাস্থলে ড্রেজার মালিককে না পাওয়ায় দু’টি ড্রেজার ফুটো করে ডুবিয়ে দেয় এবং ড্রেজারের ড্রাম ভর্তি ৩০ লিটার তৈল, হেন্ডেল, রেন্সসহ বিভিন্ন মালামাল জব্দ করে প্রশাসন। ঘটনাস্থলেই ড্রেজারের কয়েকশত ফুট পাইপ সাবাল দিয়ে কুপিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয়। তবে এর সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি।
মধ্য বড়কূল এলাকার মোঃ দেলোয়ার হোসেন পিতা জাফর মিয়া ও হাসেম ভান্ডারী পিতা আলী আকবর এ দু’জনের অভিযোগের ভিত্তিতে ও পরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোঃ ইসমাইল হোসেনের নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, নবাগত উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ফেরদৌসী আক্তার, পৌর ভূমি কর্মকর্তা লতিফ মিয়া গাজী, হাজীগঞ্জ থানার এস আই ফারুক হোসেন, ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান ও এসএম টিটু।
অভিযোগের আলোকে জানা যায়, বড়কূল গ্রামের মোঃ মোস্তফা চলতি বছরের শুরু থেকে এ দু’টি অবৈধ ড্রেজার বড়কূল কোদালিয়া খালে বসিয়ে তা থেকে বালু উত্তোলন করে পুকুরসহ ডোবা-নালা ভরাট করে আসছে। গত ১৫/১৬ দিন পূর্বে কোদালিয়া খালের ইরি সেচ প্রকল্পের পাশে নতুন করে ড্রেজার বসিয়ে মধ্যবড়কূল হাফেজিয়া মাদ্রাসার দক্ষিণে বড় একটি পুকুরে মাটি ফেলে ভরাটের কাজ করেন। ওই ভরাটকৃত পুকুরের মালিকরা হলেন, সেকান্তর আলী, পিতা- সুলতান গাজী, রশিদ বেপারী, পিতা- আবিদ আলী, মোঃ হোসেন, পিতা- আঃ করিম, কালু মিয়া পিতা- আঃ হাকিম, মোহাম্মদ মিয়া, পিতা- আঃ হক, কাশেম, পিতা- আনোয়ার হোসেন।
শিরোনাম:
বুধবার , ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৬ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

