প্রতিনিধি
হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বৈশাখী বড়ুয়ার নেতৃত্বে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৮ পিচ ইয়াবা। এছাড়া ইয়াবা বিক্রির নগদ টাকাসহ ১ জনকে আটক করা হয়েছে। একই দিন তিনি হাজীগঞ্জ বাজারে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১১ হাজার টাকা জরিমানা করেন। গতকাল শনিবার এ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯-এর বিধি অনুযায়ী মুদি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখা এবং নিষিদ্ধ টেস্টি সল্ট বিক্রি করার অপরাধে রতন সাহা, বিশ্বজিৎ সাহা, বিদ্যাসাগর ও রতন চন্দ্র সাহার মুদি দোকানের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে এবং প্রিন্স হোটেলকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সকল দোকানে নিষিদ্ধ পণ্য ও পণ্যের বিক্রয় মূল্য দোকানে সাঁটানোর নির্দেশনা দেয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ড টোরাগড় গ্রামের বেপারী বাড়ির হেলালের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী শরীফের ঘরে অভিযান চালায়। এ সময় শরীফের কাছ থেকে ৩৮ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং ইয়াবা বিক্রির নগদ ১৮,৮৫০ টাকাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন। এর পূর্বে একই আদালত পৌর ৮নং ওয়ার্ড টোরাগড় গ্রামের শুকু মিয়ার ছেলে মাদক ব্যবসায়ী বিল্লাল (৪২)-এর ঘরে অভিযান চালায়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল মান্নানসহ সঙ্গীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বৈশাখী বড়ুয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিক্রেতাদের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের পরিমাণ বেশি হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার জন্যে তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম স্বাভাবিক রাখার জন্যে রমজানকে সামনে রেখে হাজীগঞ্জ বাজারে এই অভিযান চালানো হয়।
