স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুরে ডাকাতিয়া নদী বন্দর এলাকায় পূর্বের স্থানে অনতিবিলম্বে লঞ্চঘাট স্থাপন করা না হলে বন্দরের সকল ট্যাক্স-খাজনা বন্ধ করে দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি প্রদান করেন সম্মিলিত ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ। পূর্বের স্থানে লঞ্চঘাট ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আগামী ১৭ ডিসেম্বর মানববন্ধন সফল করতে ডাকাতিয়া নদীর পূর্ব স্থানে লঞ্চঘাট স্থাপন বাস্তবায়ন পরিষদের আয়োজনে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১২টায় পুরাণবাজার বাতাসাপট্টিস্থ দেওয়ান ব্রাদার্সে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আলহাজ্ব আবুল কাশেম গাজী, সালাউদ্দিন মোঃ বাবর, আব্দুর রব মল্লিক সানু, মফিকুল ইসলাম, বেকারী মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব এসএম জয়নাল আবেদীন।
বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক ফয়েজ আহম্মদ মন্টুর সভাপ্রধানে ও সদস্য সচিব মোশারফ হোসেন মানিকের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন বাস্তবায়ন পরিষদের উপদেষ্টা রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আলী মাঝি, বাস্তবায়ন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ব্যাংকার মজিবুর রহমান, বাস্তবায়ন পরিষদের নেতা মোঃ নাসির খান, গোপাল চন্দ্র সাহা, শেখ শরীফ আহমেদ, মোঃ হারুন মিজি, আনিছ বেপারী, শাহজাহান মাতাব্বর, মোহাম্মদ আলী কুট্টি, পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম নজু বেপারী, পৌর কাউন্সিলর আসলাম গাজী, চেম্বার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, ঘাট মাঝি, শ্রমিক, রিক্সাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, একটি নির্ধারিত স্থান জুড়ে চাঁদপুর নদী বন্দর এলাকা গড়ে উঠেছে। এ বন্দরের সুবিধার্থেই স্থাপন করা হয়েছিলো লঞ্চ, স্টিমার ঘাট ও রেলস্টেশন। যদি এ স্থান থেকে লঞ্চঘাট চলে যায় তাহলে বন্দরের সম্পূর্ণতা আর থাকে না। তাই অসম্পূর্ণ বন্দরের প্রাপ্য ট্যাক্স-খাজনা আমরা ব্যবসায়ী সমাজ দিতে পারি না। প্রশাসনের প্রতি আমাদের বিনীত অনুরোধ, অবিলম্বে ডাকাতিয়া নদীর পূর্বের স্থানে লঞ্চঘাট ফিরিয়ে আনুন। নৌ বন্দরের ঐতিহ্য রক্ষা করুন। শত বছরের ঐতিহ্য নষ্ট হতে দিবেন না। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অনতিবিলম্বে যাতে লঞ্চঘাট পূর্বের স্থানে ফিরিয়ে আনা হয় সে জন্যে বক্তারা মন্ত্রী, এমপি, পৌর মেয়রসহ সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সুদৃষ্টি কামনা করেন। বক্তারা আরো বলেন, যে ডাকাতিয়া নদীতে তেলের ট্যাংকার, স্টিমার প্রবেশ করতে কোনো সমস্যা হয় না সেখানে লঞ্চঘাট ফিরিয়ে আনতে সমস্যা হওয়ার কথা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এ ধরনের অযৌক্তিক বক্তব্য প্রদান না করার জন্যও বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

