
কচুয়া প্রতিনিধি
কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ অমান্য করে গবরখোলা মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী সেলিনা আক্তারকে বিয়ে দিয়েছে চাচা মনির মোল্লা, হোসেন মোল্লা ও মা কুলছুম বেগম। উপজেলা নির্বাহী অফিসার দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।
জানা যায়, উপজেলার ২নং পাথৈর ইউনিয়নের আটমোর মোল্লা বাড়ির প্রবাসী কবির হোসেনের ১২ বছরের মেয়ে গবরখোলা মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী সেলিনা আক্তারের ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়া আহমেদ সুমন এ সংবাদ পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল মিয়াকে বিয়ে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। বাবুল মেম্বার স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে বিষয়টি জানান। চেয়ারম্যান বিষয়টি গুরুত্ব দেননি। মেম্বার বাবুল বিয়ে বাড়িতে গিয়ে নির্বাহী অফিসারের বরাত দিয়ে বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন। এদিকে কনে সেলিনা আক্তারের ২ চাচা মনির মোল্লা, হোসেন মোল্লা ও মা কুলছুম বেগম বিষয়টির কোনো গুরুত্ব না দিয়ে সেলিনাকে বিয়ে দিয়ে দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানায়, ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও ইউপি মেম্বার বাবুল মিয়া সেলিনার মা ও চাচাদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বিয়ে দেয়ার অনুমতি দেন। ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য ঘুষ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমরা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ মোতাবেক বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দিয়ে এসেছি। মেয়ের অভিভাবকরা আমাদের নির্দেশ অমান্য করে বিয়ে দিয়ে দেয়, আমরা কি করবো। নির্বাহী স্যার তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে আমরা সহায়তা করবো। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিয়ের কথা জানতে পেরে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।
