প্রতিনিধি
কচুয়ায় বিদ্যুতের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে একটি সিন্ডিকেট। উপজেলার পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামে ২৩৯টি পরিবারের মাঝে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সিন্ডিকেটটি। চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কচুয়া জোনাল অফিসের আওতায় ১৫১ নং লটের অধীনে শংকরপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের নিজস্ব খরচে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে পৌনে ৩ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সংযোগের লাইন নির্মানের কাজ চলছে। রবিবার সরেজমিনে গেলে শংকরপুর গ্রামের বিদ্যুৎ প্রত্যাশী গ্রাহকরা সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যুৎ দিবার কথা বলে শংকরপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সামসুল হক আকাশ, নব্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী একই গ্রামের ময়নাল ফকিরের ছেলে মোস্তাফা ও শাহজাহানের ছেলে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মোঃ শাহআলমসহ একটি সিন্ডিকেট শংকরপুর গ্রামে বিদ্যুৎ দিবার নাম করে পরিবার প্রতি ৬ হাজার টাকা উত্তোলন করে। তিন সদস্যের এ সিন্ডিকেটটি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বিশাল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরও বিদ্যুৎ না পাওয়ায় স্থানীয়রা এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও অচিরেই বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য যথাযথ কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
তিন সদস্যের সিন্ডিকেটের সামুল হক, শাহআলম ও মোস্তফা বলেন বিদ্যুৎ আনতে টাকার দরকার বলেই আমরা টাকা উঠিয়েছি এবং বিদ্যুতের লাইন নির্মানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হাজীগঞ্জ উপজেলার রনি এন্টারপ্রাইজের সাথে বিদ্যুতের জন্য টাকা লেনদেন করেছি।
রনি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সাইফুন আক্তার জানান, শংকরপুর গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দিবার নাম করে একটি সিন্ডিকেট বিশাল অংকের টাকা নিয়েছে বলে আমিও শুনেছি, তবে তাদের সাথে রনি এন্টারপ্রাইজের টাকা পয়সার লেনদেন হয়নি, কাজ করার সময় তারা আমার লেবারদেরকে আপ্যায়ন করিয়েছে।
বিদ্যুতের নামে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি কচুয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এই স্লোগানে শুধু মাত্র সংযোগ ও সদস্য ফি ৪ শত ৫০ টাকার বিনিময়ে শতভাগ বিদ্যুতায়নের লক্ষে আমরা বিদ্যুৎ প্রদান করছি। আমার অফিসের কেউ অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সাথে জড়িত নয়।
শিরোনাম:
সোমবার , ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৩০ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
