স্টাফ রিপোর্টার:।।ঈদের পর আবারো চাঁদপুর মাছঘাটে রুপালি ইলিশের আমদানি কিছুটা বেড়েছে।মাছের পরিমান বাড়লেও সাধারন ক্রেতা খুশি নন,হতাশ।কারন মাছ ভরপুর হলেও মাছের দাম কিন্তু কমছে না।আড়তেই মোটামুটি সাইজের ইলিশের কেজি পাঁচ’শ টাকারও বেশি।খুচরা বাজারে এর দাম আরও বেশি বলে ক্রেতারা জানায়।ঘাটের মাছ সব চালানিরা কিনে নিয়ে যাচ্ছে এবং প্যাকেজিং করে যার যার মোকামে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
সরজমিনে বৃহস্পতিবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়। ইলিশ বোঝাই ৫টি ট্রলার ঘাটে।হাজী আব্দুল মালেক খন্দকার, হাজী শবেবরাত সরকার,আঃ রব চোকদার (ছোট) ও হাজী আঃ কুদ্দুছ খানের আড়তের এসব ট্রলার।অল্প অল্প করে মাছ বিক্রির জন্য আড়তে তোলা হচ্ছে।চাঁদপুর ঘাটে আসা এসব মাছ হাতিয়া সাগর এলাকার বলে জানা যায়।
হাতিয়ার জাহাজমারা মা -২ ফিশিং ট্রলার মালিক ফজলুল করিম(৬০) ও হাতিয়ার রহমত বাজারের ইলিশের ব্যাপারি মোস্তাফিজ(৫০) জনান, গত বছর এই সময় আমরা সাগরে একটানা মাছ পাইছি,এবার মা কম।ঘ্যাপে ঘ্যাপে কিছু মাছ পাচ্ছি।ঈদের আগে কিছু আর ঈদের পর গত কয়েকদিন কিছু ইলিশ পাইছি বলে চাঁদপুরে নিয়ে এসেছি।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সদস্য ও ইলিশ ব্যবসায়ী হাজী আনোয়ার হোসেন গাজী জানান,ভারত থেকে এখন ইলিশ বাংলাদেশে পাচার হচ্ছে।আমাদের নদীতে মাছ নাই অথচ ভারত সাগরে তারা এবার প্রচুর ইলিশ পাইতেছে।ভারতের দীঘা,ডায়মন্ডহার্বার ও উড়িষ্যা সাগর ও নদী এলাকায় ওই দেশের জেলেদের জালে ব্যাপক ইলিশ ধরা পড়েছে। সাতক্ষিরা বর্ডারে ৪/৫ ‘শ গ্রাম আকারের ইলিশ সেখানে ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কুষ্টিয়া, ভেড়ামারা,ঈর্শদী ও খুলনায় ভারতের ইলিশ পাওয়া যায়।এ কারনে আমরা চাঁদপুরের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির পরিচালক আঃ খালেক বেপারি জানান লোকাল নদীতে মাছ নাই,সব হাতিয়ার মাছ।
শিরোনাম:
রবিবার , ৪ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
