কারো ভুল বা অমোনযোগীর কারনে চক্ষু সমস্যা হলে সারাজীবন অন্ধ হয়ে থাকতে হবে
———– ভূমি মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ তাজুল ইসলাম চৌধুরী
সাড়ে ৪ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা ও ৮০জন রোগীকে অপরেশনের ব্যবস্থা করা হয়
স্টাফ রিপোর্টার ॥ চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী-নানুপুর চাঁদপুরজমিন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় চক্ষু চিকিৎসা শিবির পরিচালনা করেন জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি কুমিল্লা।
চক্ষু চিকিৎসা শিবির আনুষ্ঠানকিভাবে উদ্বোধন করেন ভূমি মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, চক্ষু আল্লাহ’র দান। ¯্রষ্টার সৃষ্টির মধ্যে চক্ষু অন্যতম। আর চক্ষু না থাকলে আমরা এই অপরূপ সৌন্দর্যের কিছুই দেখতে পারতাম না। ৫ ওয়াক্ত নামাজের ওযু, সময়মত ঘুম ও সকালের আবহাওয়া আমাদের চক্ষুকে ভাল রাখে। বর্তমান সময়ে রাত জেগে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারনে শিক্ষার্থী ও আমাদের চক্ষু সমস্যা হচ্ছে। তাই সকলকে নিজের চক্ষুর যতœ নিজেকেই নিতে হবে।
তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, অভিজ্ঞতার জ্ঞানের কাছে পথিগত জ্ঞান মূল্যহীন। আপনারা যতœ সহকারে রোগী দেখবেন। শুধু চিকিৎসা নয় পাশাপাশি রোগীকে চক্ষু ভাল রাখার পরামর্শ দিবেন। কারো ভুল বা অমোনযোগীর কারনে চক্ষু সমস্যা হলে সারাজীবন অন্ধ হয়ে থাকতে হবে। আর এই আয়োজন করার জন্য হাসপাতালের চেয়ারম্যান রোকনুজ্জামান রোকনকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি কুমিল্লার কর্মকর্তারাও ভাল কাজের জন্য প্রশংসার দাবীদার।
চাঁদপুরজমিন হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. রোকনুজ্জামান রোকন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডাঃ ফয়সাল মাহমুদ পিয়াস, সাপদী আবিদিয়া ইসললামিয়া মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাও. জাকির হোসেন হিরু, নিজ গাছতলা মোহাম্মাদিয়া মাদানিয়া দারুল সুন্নাহ হাফিজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি শাহজাহান মোল্লা, পরিচালক কারী মাও. ইমাম হোসেন, গাজী ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী মোঃ সোহেল গাজী। উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বাগাদী নানুপুর জামে মসজিদের খতিব মাও. রাকিব উদ্দিন ভূঁইয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি কুমিল্লার প্রজেক্ট ম্যানেজার তপন সেনগুপ্ত, প্রোগ্রাম অফিসার মো. দেলওয়ার হোসেন, দৈনিক চাঁদপুরজমিন পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম অনিক সহ অন্যান্যরা।
চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে ৪জন চক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা ও ৮০জন রোগীকে অপরেশনের জন্য ব্যবস্থা করা হয়। প্রতি ইংরেজী মাসের প্রথম রোববার এ চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়।
