আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের ৫ টি আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে পারেনি বিএনপি।সবগুলো
আসন দুই তিনজন করে দলের মনোনয়ন চিঠি দেয়া হয়েছে।সে সুবাদে চাঁদপুরের পাঁচ আসনে বিএনপি’র চিঠি পেয়েছে ১২ জন।
দলটি বলছে, প্রার্থীর অনুকূলে প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দেওয়ার মাধ্যমে প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে তারা। অর্থাৎ ৩০০ আসনে কে হবেন ধানের শীষের প্রার্থী, তা জানতে প্রার্থী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে অপেক্ষা করতে হবে আরও ১১ দিন।
গতকাল ২৭ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার পর বিএনপি চেয়ারপার্সনেরর গুলশান কার্যালয় থেকে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে দলের মনোনীত প্রার্থীদের মাঝে চিঠি বিতরন শুরু হয়।
চাঁদপুরের ৫ টি আসনে গতকাল মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন যাঁরা, তাঁরা হলেন—
চাঁদপুর – ১ কচুয়া আসনে আনম এহছানুল হক মিলন,নাজমুন নাহার বেবী/ মোশারফ হোসেন।চাঁদপুর – ২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ) তানভীর হুদা ও ড. জালাল উদ্দিন।
চাঁদপুর – ৩ সদর শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক,রাশেদা বেগম হীরা ও এসএমএমএ আলম ( জাতীয় পার্টি কাজী জাফর)।
চাঁদপুর- ৪ ফরিদগঞ্জে এমএ হান্নান ও হারুনুর রশিদ। চাঁদপুর – ৫ হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তিতে এমএ মতিন ও ইঞ্জিঃ মমিনুল হক।
বিএনপির দলীয় সূত্র বলছে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে সময় বেশি গেছে। এ ছাড়া আওয়ামীলীগ তাদের দলীয় প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি। এ কারণে প্রার্থীদের নাম প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত বিএনপি দলের প্রার্থীদের নাম গোপন রাখার চেষ্টা করছে।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সূত্রে জানা যায়, সারা দেশে বিএনপির অনেক নেতার নামে মামলা আছে। অনেকে ‘মিথ্যা’ মামলায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এ কারণে বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থীর নাম রাখা হয়েছে। একজন বাদ পড়লে যেন ওই আসনে দ্বিতীয়জন কিংবা তৃতীয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এবার বিএনপি কোনোভাবে ভোটের মাঠ ছাড়বে না, যে কারণে মনোনয়নের চিঠি নিয়েও একটু বেশি সময় নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে,গতকাল চাঁদপুরে বিএনপি যেসব প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তাদের বেশির ভাগ নেতাকে মুঠোফোনে ফোন করে চিঠি নিতে আসতে বলা হয়। চারটি আসনে একাধিক প্রার্থী দেওয়ার কারণে অনেকে নিজের মনোনয়ন নিয়ে দ্বিধায় আছেন।
