
স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুর শহরে সরকারী গাইনি ডাক্তার সামছুন্নাহার তানিয়ার চেম্বারে রোগীর সিরিয়াল নিয়ে চট্রগ্রাম মেট্রো পলিটনে কর্মরত এক পুলিশ সদস্য মো: আরিফ হোসেনের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারির ঘটনায় তার অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রী আখি বেগম পেটে লাথির আঘাতে ও পিটুনি খেয়ে গুরুত্বর আহত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে, মঙ্গলবার চাঁদপুর শহরের স্টেডিয়াম রোডস্থ প্যাথলজি এন্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারে।
এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশ প্যাথলজি এন্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারের মালিক কিশোর সিংহ রায়,স্টাফ জয়নাল আবেদীন,মানষ দাস ও শাওন কুমার রায়কে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে চাঁদপুর মডেল থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওয়ালী উল্লাহ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এ রিপোট লেখা পর্যন্ত আহত অন্ত:সত্ত্বা আখির শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা নিরিক্ষা ছলছে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে গাইনি ডাক্তার সামছুন্নাহার তানিয়ার সাথে ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,চাঁদপুর সদর উপজেলার খেরুদিয়া এলাকা থেকে ডাক্তার সামছুন্নাহার তানিয়াকে দেখানোর জন্য মোবাইলে আজ মঙ্গলবার ১৭নং সিরিয়াল দেন গাইনী রোগী আখি বেগমের স্বামী মো: আরিফ হোসেন। ডাক্তারের চেম্বারে এসে রোগী দেখাতে গেলে দেখে কোন সিরিয়াল নেই। এ প্যাথলজি এন্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারের স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আরিফের সাথে খারাপ আচরন করে। এক পর্যায়ে কথাকাটা কাটির ঘটনা ঘটে, এটি মারা মারির ঘটনায় রুপ নেয়। আখির স্বামীকে ফিজিওথেরাপি সেন্টারের স্টাফরা বেদম ভাবে পিটাতে থাকলে আখি এগিয়ে আসে। এক পর্যায়ে স্টাফরা আন্ত:সত্ত্বা আখিকে শরীরে আঘাত করে ও পেটে লাথি মারেলে আখি মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুত্বর আহত হয় বলে আখি , তার স্বামী আরিফ ও উপস্থিত রোগীরা জানান। তাৎক্ষনিক এ ঘটনা পুলিশ সদস্য আরিফ চাঁদপুরের পুলিশ শামছুন্নাহার ও চাঁদপুর মডেল থানার ওসিকে জানালে তিনি ঘটাস্থলে এসে প্যাথলজি এন্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারে আগত রোগীদের সাথে আলাপ কালে এর সত্যতা পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ফিজিওথেরাপির মালিকসহ ৪ জনকে আটক করে মডেল থানায় নিয়ে যান। এ ব্যাপারে ডাক্তার তানিয়া বলেন, আমি চেম্বারে ছিলাম না। এটা আমার ব্যাপার না। এটা রুগি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাপার। এ ব্যাপারে ওদের সাথে আলাপ করেন। ঘটনাটি সমাধানের চেস্টা চলছে।
এ ব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওয়ালী উল্লাহ জানান,ঘটনাটি দু:খ জনক। সিরিয়াল নিয়ে এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। যার সাথে ঘটনা ঘটেছে, সে লিখিত অভিযো দিলে আইন মোতাবেক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্য, সরকারী গাইনি ডাক্তার সামছুন্নাহার তানিয়া সরকারী ভাবে তার কর্মস্থলে রোগীদেরকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে প্রতিদিন চাঁদপুরে চেম্বারে বসে ৫০/৬০ জন রোগী দেখেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার স্বামী ডা: হাসানুজ্জামান চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপালের এক জন কনসালটেন্ট হয়েও সাংবাদ কর্মীসহ বিভিন্ন মানুষের সাথে খারাপ আচরন করেন বলে তা বিরুদ্বে অনেকের অভিযোগ।
