
শওকত আলী॥
চাঁদপুরে ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে চাঁদপুর নৌ-সীমানার বিভিন্ন চরে দক্ষীনাঞ্চীয় ও চাঁদপুর-ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী শতাধীক যাত্রীবাহী লঞ্চ বিভিন্ন চরে আটকা পড়েছে। এতে করে দক্ষীনাঞ্চীয় লঞ্চ গুলো ৫-৬ ঘন্টাও ঢাকা-চাঁদপুরের মধ্যে চলাচলকারী লঞ্চ গুলো ২-৩ঘন্টা বিলম্বে তাদের গন্তব্যে পৌচেছে। যার ফলে প্রচন্ড শীতের মধ্যে শিশু,মহিলা,বৃদ্ব,বৃদ্বাসহ বিভিন্ন বয়সের শত-শত যাত্রীর সীমাহীন দুর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে নদীর মাঝ খানে আটকে পরে। এ ঘটনাটি ঘটেছে,গতকাল শনিবার গভীর রাতে চাঁদপুর নৌ-সীমানার ইশানবালা,আলুরবাজার,হাইমচর এলাকার মধ্যচরে, শরীয়তপুর চরে,ষাটনল,মোহনপুর চরে,এখলাশপুরচর ও আমিরাবাদ চরসহ বিভিন্ন চর এলাকায় এ সব লঞ্চ গুলো ঘন কুয়াশার কারনে ও ডুবো চরে আটকা পরে রাতভর যাত্রীদের নিয়ে অবস্থান করতে হয়েছে।
রবিবার চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালে লঞ্চের মাস্টার ও যাত্রীদের সাথে আলাপকালে তারা জানান,প্রতিটি লঞ্চ শনিবার দুপুরে ও বিকেলে দক্ষীনাঞ্চীয় বরিশাল,ফিরোজপুর,পাতারহাট,লেতরা,পয়সারহাট,কালাইয়া ভান্ডারিয়া,কাউখালীসহ বিভিন্নস্থান থেকে ছেড়ে চাঁদপুরে রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে পৌছার কথা থাকলেও নদীতে ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে লঞ্চ গুলো সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারছিলনা। যার ফলে প্রতিটি যাত্রীবাহী লঞ্চ রবিবার সকাল ৮ হতে ৯টার মধ্যে ৫/৬ ঘন্টা বিলম্বে চাঁদপুর নৌ-টামিনালে পৌছে। ঢাকা থেকে শনিবার লঞ্চ গুলো রাত ১২টায় ও ১টায় ছেড়ে ভোররাত সারে ৩টায় ও ৪টায় চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালে পৌছার নিয়ম থাকলে ও লঞ্চ গুলো সকাল ৬টা /৭টায় ২/৩ ঘন্টা বিলম্বে চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালে এসে পৌছে। এ ছাড়া অনেক লঞ্চ চাঁদপুর নৌ-সীমানায় ডুবো চরে আটকা পরে। রবিবার সকালে অন্য লঞ্চের সাহায্যে টেনে ছুটিয়ে এনে বিলম্বে পৌছতে হয়েছে। এতে করে যাত্রীরা বিশুব্দ পানি ও খাদ্যের অভাবে দুর্ভোগ পৌহাতে হয়েছে।
নদীতে আটকা পড়া উল্লেখ্যযোগ্য লঞ্চ গুলো হচেছ,এম ভি পূবালী,কিং স¤্রাট,রেডসান-৫,জাহিদ-৩.পারাবত-১৪,ফারহান-১০,হাসান-হোসেন-২,রাসেল-৫,মহারাজ-৭,ধুলিয়া-১,সুন্দরবন-১২,মানিক-৫,যুবরাজ-২,সুন্দরবন-৫,দেশান্তর,সোনারতরী-২,তাকয়া,রাসেল-৩,রাসেল প্লাসসহ শতাধীক লঞ্চ মেঘনা ও পদ্মা নদরি বিভিন্নস্থানে আটকা পরে। এ ছাড়া অনেক লঞ্চ চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালে অবস্থান না করে সরাসরি ঢাকা চলে যায়।
এ ব্যাপারে চাঁদপুর বন্দর কর্মকতা ও উপ-পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কুযাশার কারনে লঞ্চ গুলো বিলম্বে এসেছে। এতে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে। কুয়াশা দিয়ে ঝুকির মধ্যে চলাচল করলে দুর্ঘটনা ঘটতো। তবে যাত্রীদের একটু কস্ট হয়েছে সত্য তবে তারা নিরাপদে গন্তম্বে গিয়েছে।
