
করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে প্রায় দেড় মাস পরে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা
জজ আদালত এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪২টি জামিনের ভার্চুয়াল
(আবেদন) শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ জনের জামিন মঞ্জুর, ৭টি বাতিল ও ১৮টি
নামঞ্জুর করে আদালত।
আদালতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিচারকাজ চালানোর বিষয়ে অধ্যাদেশ জারির
প্রেক্ষিতে নিম্ন আদালতের ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন শুনানি করতে গত ১০ মে
নির্দেশনা দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন।
সেই আদেশের পর তৃতীয় দিন ১৩ মে বুধবার চাঁদপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা
জজ মোহাম্মদ সরওয়ার আলমের আদালতে ভার্চুয়ালে ১১টি জামিনের আবেদন শুনানি করা
হয়। এর মধ্যে তিনি ৭টির জামিন মঞ্জুর ও ৪টি নামঞ্জুর করেন।
অপরদিকে চীফ জুডিসিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ শফিউল আজমের
আদালতে ৩১টি মামলার শুনানি করা হয়। এর মধ্যে ১০টির জামিন মঞ্জুর, ৭টি
বাতিল ও ১৪টির জামিন নামঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, এই প্রথম আদালতে ভার্চুয়াল পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা আসলে
অনেকেই তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে অধিক জ্ঞান না থাকায় চাঁদপুর জেলা আইনজীবী
সমিতির বর্তমান কার্যকরী কমিটির উদ্যোগে সংক্ষিপ্ত আকারে একাধিকভাগে
প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। ভার্চুয়াল সম্পর্কে তাৎক্ষণিক আইনজীবীগণ
ধারণা পাওয়ার পরেই তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিচার কার্যে সংযুক্ত হন।
প্রশিক্ষণ প্রদান করেন চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য (আইটি অভিজ্ঞ)
অ্যাডঃ এইচএম হেলাল। প্রশিক্ষণে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডঃ
ইব্রাহীম খলিল ও সাধারণ সম্পাদক এমরান হোসেন এবং যুগ্ম সম্পাদক বদরুল আলম
চৌধুরীসহ প্রবীণ ও নবীণ আইনজীবীগণ অংশগ্রহণ করেন।
