ডাকাতি মামলার প্রকৃত আসামী হৃদয় মানিক পাটওয়ারী ,বিল্লাল,কাদের মিজি ও জুয়েল আখন্দকে মডেল থানার এসআই অনুপ চক্রবর্তী ও রেজাউল করিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আটক করে। তাদেরকে সহযোগিতা করে পুলিশের সোর্স জসিম।
এই ডাকাতি মামলায় পুলিশের সোর্স জসিমের ছোট ভাই আবু তাহেরকে আটক করে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ সিরাজুল মোস্তফা।
এই ঘটনায় পুলিশের সোর্স জসিমের সাথে
উপ-পরিদর্শক মোঃ সিরাজুল মোস্তফার বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়।
জসিম তার ভাইকে ছাড়িয়ে নিলেও সে আর রক্ষা পায়নি। গত ২৩ সেপ্টম্বর উপ-পরিদর্শক মোঃ সিরাজুল মোস্তফা দক্ষীন জিটি রোড থেকে জসিমকে আটক করে ৩দিন মডেল থানায় আটকে রেখে শাররীক নির্যাতন করে। জসিমকে কোটে চালান না দিয়ে থানায় আটকে রেখে নির্যাতন করায় তার পরিবারবর্গরা প্রতিবাদ করে। পরে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মোস্তফা আটকের ৩ দিন পর ২৬ সেপ্টম্বর জসিমকে আদালতে প্রেরন করে।
ডাকাতি মামলার প্রকৃত আসামি বিষ্ণনদী জিটি রোডের আনোয়ার হোসেন আখন্দের ছেলে জুয়েল আখন্দ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়ে বলেন, ডাকাতি মামলার পরিকল্পনাকারি হৃদয় মানিক পাটওয়ারী, কাদির মিজি, নেয়ামত,সাইফুল ও ভুট্টু এই ৫ জন। ডাকাতি সময় কমিউনিটি পুলিশ সদস্য জিলানি সহ আরো ১ জন ছিলো। এই ডাকাতির ঘটনায় মোট ৮ জন সম্পৃক্ত ছিলো। ডাকাতির মালামাল হৃদয় মানিক ও কাদির মিজির কাছে ছিলো। তারা সেগুলো ভাগভাটওয়ারা করে দেয়।পুলিশ মিডিয়া সেন্টার থেকে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃত মানিক পাটওয়ারী হৃদয়ের বিরুদ্ধে এর পূর্বেও ৫টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১টি ডাকাতি, ২টি বিস্ফোরক এবং অন্যান্য দু’টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
এদিকে জুয়েল আখন্দ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী অনুযায়ী সব আসামী আটক হলেও উপ-পরিদর্শক মোঃ সিরাজুল মোস্তফা দক্ষীন জিটি রোড থেকে জসিমকে আটক করে ৩দিন মডেল থানায় আটকে রেখে শাররীক নির্যাতন করে আদালতে প্রেরন করে।
এছাড়া পুলিশ জসিমের ছোট ভাই আবু তাহের, ব্যাংক কলোনির মৎস ব্যবসায়ী মানিক মিজি সহ আরো কয়েক জনকে আটক করে। আটককৃতদের মামলায় আসামি করার হুমকী দিয়ে প্রায় লক্ষাধীক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিরাজুল মোস্তফা।
এই ডাকাতি মামলার আসামি জুয়েল আখন্দ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে পুলিশের সোর্স জসিমের নাম বলেনি। কিন্তুু জসিম তার ভাইকে ছাড়াতে গিয়ে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মোস্তফার সাথে কথা কাটাকাটি হয়। তাই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে জসিমকে আটক করে ডাকাতি মামলায় চালান দেয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নতুনবাজার পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মোঃ সিরাজুল মোস্তফা জানায়,সাংবাদিক অধ্যাপক মোহাম্মদ হোসেন খানের বাসায়
ডাকাতির ঘটনায় এ পর্যন্ত ৯জন ডাকাতকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। আটককৃত ডাকাতরা বলেছে, এ ঘটনার সাথে ৮ জন ডাকাত জড়িত ছিলো বলে তারা জানিয়েছে।
ডাকাতির ঘটনার সাথে জরিত ১ জন আসামি বাকি রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ডাকাতি হওয়া ১৭ হাজার টাকা ও ১টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি জিনিসপত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় মানিক মিজি, আবু তাহেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আটক করা হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
|
|
