
শওকত আলী :
চাঁদপুর লঞ্চ ঘাটে যাত্রীবাহী লঞ্চের স্টাফ কেবিন থেকে অন্তঃস্বত্তা অজ্ঞাত এক নারীর (২২) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ওই লঞ্চের ম্যানেজারসহ ৫ জনকে আটক করেছে। ঢাকা-চাঁদপুরগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ এম.ভি আবে জম জম লঞ্চের কেবিন বয় রিয়াদ হোসেন জানায়, সোমবার রাত ৮ টায় হাইমচরের নীলকমল থেকে স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে ২ জন লঞ্চে উঠে ১১২নং স্টাফ কেবিনটি ভাড়া নেয়। মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে ঢাকা সদরঘাটে কখন সাথের লোকটি নেমে গেছে তা তারা দেখেনি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় লঞ্চটি চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার পর লঞ্চের কেবিন বয়রা লঞ্চের কেবিনে গিয়ে ওই নারীর লাশ জানালা দিয়ে দেখতে পায়। মঙ্গলবার দুপুর ১টায় লঞ্চটি চাঁদপুর ঘাটে পৌছার পর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে চাঁদপুর মডেল থানায় নিয়ে যায়। তবে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কোন যাত্রী লঞ্চে উঠলে তার মোবাইর
নাম্বার ও ঠিকানা রাখার নিয়ম থাকলেও লঞ্চ কর্তৃপ তা রাখেনি। ধারনা করা হচ্ছে এ ঘটনার সাথে লঞ্চে স্টাফরা জড়িত রয়েছে। এ ব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করে মডেল থানার এসআই মাসুদ রানা শামীমকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে চাঁদপুর মডেল অফিসার ইনচার্জ ওয়ালী উল্লা ওলি জানান, অজ্ঞাতনামা নারীটি অন্তঃস্বত্তা ছিল। ধারনা করা হচ্ছে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই লঞ্চের ম্যানেজার ইউনুস মিয়া, কেরানি ফরহাদ হোসেন, কেবিন বয় রিয়াদ হোসেন, সুজন প্রামানিক ও সোহাগ খানকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে। তিনি আর জানান ওই নারীর পরনে সালোয়ার ও কামিজ ছিল এবং মাথার পিছনে ঘারে পেরাগ (তারকাটা) মারা অবস্থায় ছিল।
