
চলমান কঠোর বিধিনিষেধে এখন পর্যন্ত বেসরকারি কোনো উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা- এনজিও, চাঁদপুরে ত্রাণ বা অন্য কোনো সহযোগিতা নিয়ে কর্মহীন দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি। উল্টো তাদের দেওয়া ঋণের কিস্তির টাকা আদায়ে ব্যস্ত। এমন অভিযোগ করেছেন জেলেরা।
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা উপহার এবং মুঠোফোনে বিশেষ নম্বরে যারা কল করেছেন, এমন মানুষদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে খাদ্য সহায়তা।
এই পর্যন্ত চাঁদপুরের ৮ উপজেলায় প্রায় দুই হাজার পরিবারকে এমন খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক, কঠোর বিধিনিষেধের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য স্বচ্ছল বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থাকে অনুরোধ জানান।
এদিকে, চাঁদপুরে দেশের প্রথম সারির বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা-এনজিও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে তাদের আর্থিক সহায়তা অর্থাৎ ঋণ দানে বিশেষ ভূমিকা পালন করলেও করোনার এই দুঃসময়ে কর্মহীন হয়ে পড়া অতি দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে কোনো ধরনের সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়ায়নি।
এই নিয়ে চাঁদপুর সদরের আনন্দ বাজার এলাকার জেলে আক্তার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ব্র্যাক নামে এনজিও থেকে জাল ও নৌকা তৈরির জন্য ঋণ নেওয়া হয়। প্রতিনিয়ত ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে চাপ দিচ্ছে তারা।
এই জেলে আরো জানান, নদীতে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় তাদের ঋণের কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে হয়। এরই মধ্যে আবার করোনার কঠিন ধাক্কা। সব মিলিয়ে জেলে আক্তার হোসেনসহ আরো অনেকে এখন দুঃসময় পার করছেন।
