শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥
টানা দাবদাহে অতিষ্ট চাঁদপুরের জনজীবন। সবার কামনা সৃষ্টি কর্তার কাছে বৃষ্টি দাও। অবশেষে স্বস্থির বৃষ্টির দেখা মেলেছে। গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার পর থেকে শুরু হয় বৃষ্টি। ঢালাও বৃষ্টি চলছে পরদিন শনিবার দিনভর। কয়েক ঘণ্টার ভারি বৃষ্টিতে চাঁদপুর পৌর এলাকার অনেক স্থানেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। বৃষ্টির সাথে ঝড়ো বাতাসও বইতে থাকে। বিপর্যয় দেখা দেয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনেও। পুরাণবাজারে একটানা ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিলো না। বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের উপর গাছপালা, ডালা উপড়ে পড়ায় এ বিপর্যয় বলে বিদ্যুৎ সংশি¬ষ্ট অফিস জানায়। ভারি বৃষ্টিতে হাজীগঞ্জ সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কে দেখা দেয় ধস। অনেক জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সেচ প্রকল্প বেড়িবাঁধের ভিতরেও সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। চাঁদপুর শহরের মধুসূদন হাই স্কুল মাঠ সংলগ্ন টিজি রোড টাওয়ার মোড় এলাকায় হাঁটু পরিমাণ পানি জমে যায়। পুরাণবাজার পুলিশ ফাঁড়ির পেছনে ড্রেন ভরাট হয় পানিতে তলিয়ে যায়। শহরের প্রেসক্লাব মাঠ, প্রেসক্লাব সড়ক, কালীবাড়ি মোড়, কুমিল¬া সড়কসহ অন্যান্য আবাসিক এলাকা অফিস পাড়া বৃষ্টির পানিতে থৈ থৈ করে। মানুষ বলছে প্রচণ্ড গরম ও দাবদাহে যখন আমরা পুড়ছি তখন সৃষ্টিকর্তা স্বস্তির বৃষ্টি দিয়েছে। এতো বেশি হয়েছে তাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা অতিরিক্ত বৃষ্টি ধারণ করতে না পারায় বৃষ্টির পানি রাস্তার উপর উঠে যায়। পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা অনেকটাই নাজুক। দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসী জানায়, পরিকল্পিতভাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় তাদের এই দুর্গতি। অনেক জায়গায় ড্রেন করা হয়নি। জলাবদ্ধতার স্থান চিহ্নিত করে পৌর কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নেয়ার কথাও বলছে তারা।

