
ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুরকে ঘিরে পর্যটন শিল্পে ব্যাপক প্রচার ঘটবে
সোহেল রুশদী ঃ চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডলের সাথে গতকাল মঙ্গলবার তার কার্যালয়ে ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুরকে নিয়ে আগামীদিনের ভাবনা,পর্যটন শিল্প বিকাশ,জেলার উন্নয়নসহ নানা বিষয় নিয়ে একান্ত কথা হয় দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদীর ।
চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল এসব বিষয় খোলামেলা কথা বলেন । তিনি বলেন,আমি একজন আমলা হিসেবে রাষ্ট্রের জন্য কাজ করছি । নাগরিক সেবায় কাজ করছি । চাঁদপুরসহ যে জায়গায়ই চাকুরী করেছি সেখানে জনগনের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি । চাঁদপুরে যোগদানের পর চাঁদপুর জেলার সমুৃদ্ধি,উন্নয়ন.সম্ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করি । জনগনকে সাথে নিয়ে এসব কাজ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি । ্ইতিমধ্যে নাগরিকদের সরকারি সেবা অনলাইনে আনার কাজ করছি,বিশেষ করে ই-ভুমি সেবা ,ই-স্বাস্থ্যসেবা অনলাইনে আনা হয়েছে,সরকারি অন্যান্য দপ্তরগুলো অনেকাংশে ই-সেবার আওতায় আনা হয়েছে । ২০১৭ সালের মধ্যে সরকারি সকল দপ্তরের নাগরিক সেবা অনলাইনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । তিনি বলেন,দেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুর তুলে ধরতে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কাজ চলছে । ইলিশকে প্রধান ব্র্যান্ডিং হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিত করার উদ্যোগ গ্রহন করেছি । এনিয়ে চাঁদপুর পর্যটন শিল্পকে ব্যাপক প্রচার ঘটবে বলে আমি বিশ্বাস করি । ব্যাপক উন্নয়ন হবে । বড়ষ্টেশন মোলহেড ত্রিনদী মোহনাকে ঘিরে পর্যটন শিল্প বিকাশ করতে ওই এলাকায় ভ্রমন পিপাপুদের পযটকদের জন্য মিনি হোটেল,রেস্তোরা,পর্যটকদের জন্য নতুন নতুন হোটেল,রাস্তঘাট সংস্কার,পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ নানা পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে । এর মধ্যে দেশে প্রথম চাঁদপুর এবং ঢাকায় ইলিশ মেলার আয়োজন করা হয়েছে । ইলিশ মেলায় চাঁদপুরের ইলিশ নিয়ে হরেকরকম রেসিপিসহ নানা আয়োজন ছিলো । যা কিনা সরকারকে আকৃষ্ট করেছে । বড়স্টেশন মাছ ঘাটে ই-ইলিশ বাজার উদ্বোধন করা হয়েছে । যা সহসাই কার্যক্রম চালু হবে । ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুরকে এগিয়ে নিতে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহন করছে সরকার । এর সুফল পাবে চাঁদপুর জেলাবাসী । জনগনের ব্যাপক সমর্থনের কারণে এসব কাজ করতে সক্ষম হয়েছি । তিনি বলেন,চাঁদপুর শিশুপার্ক,হাউজিং অনুমোদন পেয়েছে । চাঁদপুর পৌরসভার উদ্যোগে অচিরেই কাজ শুরু হবে । ্ইতিমধ্যে চাঁদপুর জেলা মিড ডে মিল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রায় শতভাগ অর্থাৎ দেড় লক্ষ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টিফিনবক্র বিতরণ করা হয়েছে । ক্লিন চাঁদপুর ও গ্রীন চাঁদপুর বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । জনগন এ কাজে এগিয়ে এসেছে । আশা করছি এটিও সফল হবে । তিনি বলেন,প্রতিটি কাজে জনপ্রতিনিধি ,সাংবাদিক ,সুশীল সমাজ,রাজনীতিবিদদের সার্বিক সহযোগিতা পাচ্ছি । যার কারণে চাঁদপুরে অনেক বড় বড় কাজ করা সম্ভব হচ্ছে ।
