
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১ নং বিষ্ণুপুর লালপুর গ্রামে বালিশ চাপা দিয়ে গৃহবধূ আমেনাকে হত্যার ঘটনায় ঘাতক স্বামী শামীম আটক করেছে মডেল থানা পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহরিন গৃহবধূ হত্যা কাণ্ডে জড়িত স্বামী স্বামীকে আদালতে নেওয়ার পর সে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। গৃহবধূ আমেনা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি স্থানীয় দালাল চক্র আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্তি করার চেষ্টা করে। অবশেষে গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্ত করার পর নিয়োজিত ডাক্তার আর এম ও হাসিবুল হাসানের সাথে পরামর্শ করে পুলিশ থানায় মামলা হত্যা মামলা নিয়ে ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতার করে। গৃহবধূকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনাটি অবশেষে প্রমাণিত হওয়ায় ও আসামের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ায় নিহতের স্বজনদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সে ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের প্রতিযোগিতার করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহরিন জানান, হত্যাকান্ডে জড়িত স্বামী শামীম গাজীকে বাঁচাতে এলাকার কিছু মানুষ ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের প্রতিবেদন করার পর ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে এটি আত্মহত্যা নয় হত্যা হয়েছে তা নিশ্চিত করে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আসামি শামীম গাজী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। উল্লেখ্য,মাত্র দুই মাস পূর্বে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড মধ্যম চর গ্রামের এনালহক প্রধানিয়া মেয়ে আমেনা আক্তারের সাথে লালপুর গ্রামের মান্নান গাজীর ছেলে শামীম গাজী্র (২৩) বিয়ে হয়। বিয়ের দুই মাস পর গত সোমবার রাতে স্ত্রী আমেনাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে ঘাতক শামীমসহ সপরিবারে পালিয়ে গেছে। পরে স্থানীয়রা ঘাতক সামিমকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। কিন্তু স্থানীয় কিছু দালাল চক্র ঘটনাটি আত্মহত্যা হয়েছে বলে ভুল তথ্য প্রদান করে অবশেষে পুলিশের কাছ থেকে ঘাতক স্বামী শামীমকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এরপরই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হওয়ার পর আবারো শামীমকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরন করে পুলিশ।
