
শওকত আলী:
চাঁদপুর শহরের প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত অত্যান্ত ব্যাস্ততম ২টি উল্লেখ্য যোগ্য রেলওয়ে স্টেশনের ফøাটফর্ম না থাকায় এখানকার হাজার হাজার বৃদ্ব,বৃদ্বা ও শিশু- –কিশোর যাত্রী প্রতিদিন অত্যান্ত কস্ট শিকার করে জীবনের ঝুঁকির মধ্যে থেকে ট্রেন থেকে উঠা নামা করতে হচেছ। ফ্লাটফর্ম বিহীন স্টেশন ২টি হতে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার,বিভিন্ন প্রকৃতির মানুষ উঠানামা করতে গিয়ে হাত,পা ভেঙ্গে মারাত্বক ভাবে আহত হচেছ এবং অনেকে পঙ্গুত্ব পর্যন্ত বরন করছে বলে অনেক ভুক্তভোগী যাত্রীর অভিযোগ। এ ছাড়া নীচু ফ্লাটফর্মের মেজেতে ফ্লোর মারাত্বক ভাবে ভাঙ্গা ও এবরো থেবরো হওয়ায় যাত্রীরা ট্রেনে উঠতে গিয়ে হোছট খেয়ে পড়তে হয়।
প্রাচীনতম চাঁদপুর শহরের চাঁদপুর স্টেশন ও কোর্ট স্টেশনের প¬াটফর্ম নির্মাণ না করায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে যাত্রী সাধারণ। জনগুরুত্বপূর্ণ এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চায় চাঁদপুরের সচেতন মহল এবং রেল যাত্রীগণ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ফ্ল¬াটফর্মবিহীন এ দুটি রেল স্টেশন দিয়ে ট্রেনে যাতায়াত করতে হচেছ। জরুরি ভিত্তিতে চাঁদপুরের স্টেশন দুটির ফ্ল¬াটফর্ম নির্মাণের দাবি জানিয়ে রেলওয়ে উধর্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠি দিয়ে অবগত করেছেন,চাঁদপুর রেলওয়ে শ্র্রমিক লীগের চাঁদপুর শাখার নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের সভাপতি মোঃ মাহবুবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আঃ হান্নান লিখিত ভাবে জানান, চাঁদপুর স্টেশন ও চাঁদপুর রেলওয়ে কোর্ট স্টেশন দুটি রেলওয়ের রাজস্ব আয়ের দিক থেকে চট্টগ্রামের পরেই এ দুটি স্টেশনের অবস্থান। দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে হাজার হাজার মানুষের রেল যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে এ দুটি রেল স্টেশন ব্রিটিশ আমল থেকেই সারাদেশে পরিচিত রয়েছে। কালের বিবর্তনে দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এ দুটি রেল স্টেশন বহু বছর যাবৎ অবহেলিতভাবে পড়ে আছে। যাত্রী সেবার মান খুবই নাজুক। এই প্রথম চাঁদপুর-লাকসাম রেল পথের রি-মডেলিং প্রকল্পের আওতায় এনে এখানকার ৮টি রেলওয়ে স্টেশন ভবন পুনঃনির্মাণসহ রেল লাইন নতুন করে স্থাপন করা হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে চাঁদপুর শহরের চাঁদপুর স্টেশন ও কোর্ট স্টেশন দুটির ফ্লাটফর্ম নির্মাণ করা হয় নি। রি-মডেলিং প্রকল্পে রেলওয়ের আমুল পরিবর্তন আনা হলেও ফ্ল¬াটফর্ম দুটির নির্মাণ কাজ না করায় প্রতিনিয়ত যাত্রী সাধারণ ট্রেনে উঠতে-নামতে নিদারুন কষ্ট ভোগ করছে। অনেক যাত্রী দুর্ঘটনারও শিকার হতে হচ্ছেন। এছাড়া বিভিন্ন জেলার শত-শত মানুষ রেলপথে কুমিল্ল¬া-ফেনী-চট্টগ্রাম যাবার সময় রেল স্টেশন দুটির বেহাল অবস্থা দেখে খুবই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন।
চাঁদপুরের সুধীজন, সচেতন মহল, সাংবাদিক, রাজনৈতিক, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দসহ সকল শ্রেনীর মানুষ চাচ্ছে উল্লে¬খিত দুটি স্টেশনের ফ্ল¬াটফর্ম অতিদ্র্ত গতিতে করে দিয়ে যাত্রীদের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেওয়া একান্ত জরুরী বলে তাদের জোর দাবী ।
