স্টাফ রিপোর্টার:
মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির টহল দলের নিখোঁজ হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র ৫ দিন পর নৌ-বাহিনীর ডুবুরি দলের চেষ্টায় ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলি মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর সাঃ লেঃ (বিএন) এম আক্কাস আলী ও এসসিপিও (এঙ্) সিডিএম তারেক হাসানের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের ডুবুরি দল নিখোঁজের ৫দিন পর মেঘনা নদীর মোহনপুর এলাকায় ১শ’ ২০ ফুট গভীর থেকে এ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে।
নৌ-পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার মঙ্গলবার দুপুরে মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে জানান, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের একটি দল টহলরত অবস্থায় পুলিশের টহল ট্রলারটি ডুবে যায়। টহল পুলিশের কাছে থাকা ২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০ রাউন্ড গুলি মেঘনা নদীতে তলিয়ে যায়।
প্রথমে চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল চেষ্টার পর ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর একটি ডুবুরি দল ৩দিন চেষ্টার পর মঙ্গলবার দুপুরে তা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন মজুমদার, মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সামছুল হক চৌধুরী বাবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ, আওয়ামী লীগ নেতা বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুর রব প্রধান, মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মোঃ ইউনুছ, এএসআই মোঃ বিপ্লব, এএসআই আতাউর, এএসআই আকরাম, এএসআই মাসুদ প্রমুখ।
নৌ-বাহিনীর ডুবুরি দলের সদস্যরা হলো : পিও (সিডিএম) কামরুল হাসান, এলএস (সিডি) এম. সোলায়মান, এম. বাকের হোসেন, এম. মহিদুল ইসলাম, এম. ফিরোজ আলম, এমই-১ (সিডি) এম. সোহেল রানা ও এলএস এম. আমিনুল হুদা প্রমুখ।
