স্টাফ রিপোর্টার পুরাণবাজারে মারামারি পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসলেও একজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকেলে পলাশের মোড় এলাকায় মফিজ বেপারী বড় ছেলে ফারুক হোসেনকে প্রতিপক্ষের একজন বামহাতে কোপ দেয়। তাকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক ঢাকায় রেফার করেন ।
এ ঘটনার পর উত্তেজনা বিরাজ করলে এসআই ওমর ফারুকের নেতৃত্বে চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ গাড়ি নিয়ে লোহারপুলে অবস্থান নেয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিলো। একটি সূত্র জানায় ফেইসবুকে স্ট্যাটাস নিয়ে পৌর কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী মাঝির ছেলের সাথে পৌরসভার কর্মচারী তাসলিমা বেগমের ছেলে সিয়ামের বিরোধ হয়। এ ঘটনার জের ধরে লোহারপুল দক্ষিণ ও বাজার এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। রোববার রাতে দেলু সর্দার মার্কেটের সার্টার কোপানো এবং বাসা-বাড়ির জানালার কাঁচ ভাংচুর করা হয়। চলে ধারালো অস্ত্রের মহড়া। খবর পেয়ে এসএসপি হেড কোয়ার্টার, সদর সার্কেল, মডেল থানার ওসি ও পুরাণবাজার ফাঁড়ি পুলিশ উত্তর পক্ষকে ধাওয়া করে মারামারি বন্ধ করে দেয়। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে লাঠিচার্জ ও শর্টগানের গুলিও ছুঁড়ে এবং ৭ জনকে সন্দেহজনকভাবে গ্রেফতার করে। আটককৃতদের একজন ব্যবসায়ী, একজন কমিউনিটি পুলিশের টহল সদস্য, একজন ব্যবসায়ী কর্মচারী এবং অন্যারা নিরীহ।
পুলিশ যাচাই করে গতকাল সোমবার দুপুরে পৌর কাউন্সিলর লতিফ গাজী, মোহাম্মদ আলী মাঝি ও আওয়ামী লীগ নেতা মফিজ বেপারীর মধ্যস্থতায় সাপেক্ষে শর্ত তাদের জিম্মায় আটক লোকজনকে ছেড়ে দেয়। উল্লেখিত ঘটনায় থানায় কোন পক্ষই মামলা করেনি।
