প্রতিনিধি
চাঁদপুর একটি প্রসিদ্ধ নদীবন্দর। পূর্ববাংলার শ্রেষ্ঠ ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে একসময়ে চাঁদসওদাগরসহ সকল সওদাগরের ব্যবসায়িক মিলনমেলা ছিল এটি।ত্রিনদীর মোহনাসহ রেল ও সড়ক যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকায় এ অঞ্চলটি “বাংলার দ্বার” হিসেবে খ্যাত। ওলন্দাজ,ডেনমার্ক, পর্তুগিজদের ছাম্মান এসে ভিড়তো এ তিন নদীর মোহনায়।এখানেই তিলে তিলে গড়ে ওঠে বিশাল এক বানিজ্যিক রাজ্য।তাই অাদি বই-পুস্তকে চাঁদপুররের এই পুরানবাজারকে বানিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবেই অাখ্যায়িত করা হয়।রাক্ষুসী মেঘনার ক্ষুধা নিবারনে তার পেটে চলে যায় এর ৮০ ভাগ অংশ।তাই তার শ্রেষ্ঠত্ব ধরে না রাখতে পারলেও তার প্রাচীনত্ব রয়ে গেছে কালের সাক্ষী হিসেবে।ফলে নগরত্ব হারিয়েছে সময়ের বিবর্তনে।তাই এটি না নগরের মতো না গ্রামের মতো।এজন্যই এখানে সামগ্রিক কল-কারখানার পরিবেশসম্মত ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। এমন একটি অঞ্চলেই সময়ের প্রয়োজনে দাবী উঠেছে পরিবেশ সংরক্ষণের।অাধুনিক সভ্যতার সাথে নগরায়নের সংমিশ্রণ ঘটাতে স্বপ্ন দেখে গেছেন অনেক কৃতি সন্তানরাই।এরই মাঝে জন্ম নিয়ে বেড়ে ওঠা এক যুবক ঐ স্বপ্নকে বাস্তব রুপ অঙ্গিকারে সকলকে অাহবান করে সজাগ করতে সক্ষম হন। আশিক খানের হাত ধরে সৃষ্টি হয় সংগঠনের।এই সংগঠনের মাধ্যমেই শুরু হয় পরিবেশ বান্ধব সকল অান্দোলন ও সংগ্রামের।প্রতিবাদ করা হয় পরিবেশ দূষনকারী সকল ইন্ডাস্ট্রিয়ালও কল-কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে।দৃষ্টিগোচরে অাসে সচেতন নাগরিকদের।ঐ অান্দোলন অাজ তার সফলতার পথে। এরই ধারাবাহিতায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ অান্দোলন চাঁদপুর জেলার অায়োজনে রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় শহরের পুরানবাজার গার্লস উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে সচেতনতামূলক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
