আগামী ২৯ মার্চ রোববার চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এই নির্বাচনে মোট ১শ� ২৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ২ জন, সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলর পদে ২৭ জন প্রার্থী রয়েছেন। এই ১শ� ২৩ জন প্রার্থীর মাঝে গতকাল বরাদ্দ প্রতীক দেয়া হয়। প্রার্থীরা একে একে তাদের সমর্থকদের নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আসেন প্রতীক নেয়ার জন্য। প্রতীক পেয়ে প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা আনন্দ উল্লাস করেন। সব মিলিয়ে সেখানে এক আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রার্থীরা প্রতীক পেয়েই নেমে পড়েন প্রচার-প্রচারণায়। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা তারা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে দিয়েছেন। দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রার্থীদের মাইকিং শুরু হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে শুরু হয়ে গেছে ভোট যুদ্ধ।
এ দিকে প্রতীক বরাদ্দের সময় দেখা গেছে যে, একই প্রতীক যখন একাধিক প্রার্থী চেয়েছেন তখন প্রথমতঃ রিটার্নিং অফিসার প্রার্থীদের মাঝে সমঝোতার চেষ্টা করেছেন। যখন এতেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি তখন লটারী করেছেন। তবে মেয়র প্রার্থীর বেলায় লটারী করাও সম্ভব হয়নি। দেখা গেছে যে, মেয়র প্রার্থী নাছির উদ্দিন আহম্মেদ চেয়েছেন নারিকেল গাছ, অপর প্রার্থী শফিকুর রহমান ভূঁইয়াও চেয়েছেন নারিকেল গাছ। এ ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার উভয় প্রার্থীর মাঝে সমঝোতার অনেক চেষ্টা করেছেন। দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তিনি এতে সফল হননি। এরপর লটারীতে যেতে চেয়েও তিনি পারেননি। অবশেষে রিটার্নিং অফিসার বিধি মতে নিজ ক্ষমতাবলে নারিকেল গাছ প্রতীক বাদ দিয়ে উভয়ের মাঝে অন্য দুটি প্রতীক বরাদ্দ দেন। তিনি নাছির উদ্দিন আহম্মেদকে �মোবাইল� এবং শফিকুর রহমান ভূঁইয়াকে �পানির জগ� মার্কা (প্রতীক) বরাদ্দ দেন। উভয় প্রার্থী এবং তাদের প্রতিনিধিরা তা মেনে নেন।

