স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের পিছনে কাজী নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তির নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করার অপরাধে ৭ যুবককে ২ বছর করে সশ্রাম কারাদন্ড দিয়েছে দ্রুত বিচার আদালত। মঙ্গলবার দুপুর ১টায় চাঁদপুর দ্রুত বিচার আদালতের বিরচাক অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মো. কায়সার মোশাররফ এই রায় দেন।
কারাদন্ডপ্রাপ্ত যুবকরা হচ্ছেন: ফরিদগঞ্জ পৌরসভার কাচিয়াড়া বড় বাড়ীর মিজানুর রহমানের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২১), চির্কা চাঁদপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব হোসেনের ছেলে শুভ (১৮), আব্দুল রবের ছেলে রিমন (১৯), চরবড়ালী গ্রামের মৃত আমির হোসেন পাটওয়ারীর ছেলে রাজু (২১), বাবুল মিয়ার ছেলে ফরিদ (২০), আক্তারুজ্জামানের ছেলে আকরাম (২০) ও মো. বোরহান (২০) পিতা অজ্ঞাত।
মামলার বিবরণে জানাযায়, ২০১৪ সালের ৩০ জুলাই দুপুর সোয়া ১টায় বাদী উপজেলার বিষকাটালী গ্রামের আঃ মান্নান কাজীর ছেলে কাজী নজরুল ইসলাম শহরের ওয়ান স্টার হোটেলে নাস্তা খাওয়ার জন্য আসেন। নাস্তা খেয়ে বের হলে উল্লেখিত যুবকরা তাকে বিভিন্ন এলোমেলো প্রশ্ন করে। এক পর্যায়ে তাকে মারধর করে তার পকেটে থাকা ১১ হাজার ৭শ’ টাকা ও ১৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন ছিনতাই করে একজন পালিয়ে যায়। নজরুল চিৎকার করলে ঘটনাস্থলে মানুষজন জড়ো হয় এবং পুলিশ এসে বাকীদের মধ্যে ৪জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
এই ঘটনায় একই দিন বিকেলে উল্লেখিতদের আসামী করে নজরুল ইসলাম নিজেই বাদী হয়ে আইন শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ দ্রুত বিচার (সংশোধন) আইন ২০১২ এর ৪(১) ৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলার দতন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলক বড়–য়া মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১১ আগষ্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পি.পি রেজা পাহ্লভী মজিদ শেলী বলেন, গত ৩ বছর মামলাটি চলমান থাকা অবস্থায় সন্দেহাতিত ভাবে স্বাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে আসামীদের প্রত্যেককে ২ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড, ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ১বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কাজী আব্দুল হান্নান।
