শিরোনাম:
রবিবার , ১৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে গর্ভধারিণী মা ও দু’ বোনকে দু’ ছেলে মিলে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেছে। শুধু তাই নয়; আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতেও বাধা প্রদান করে তারা। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আত্মীয়স্বজনরা মা ও দু’ বোনকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানায় ওই দু’ ছেলের বিরুদ্ধে গতকাল শুক্রবার বিকেলে লিখিত অভিযোগ করেছেন মা মারফতেরন্নেছা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সাহেবগঞ্জ গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। বর্তমানে আহতরা ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে।
জানা গেছে, রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ গ্রামের গ্রাম পুলিশের সদস্য নুরুল ইসলাম মাস তিনেক পূর্বে মারা যান। মৃত্যুর পূর্বে তিনি তার সম্পত্তি চার ছেলে ও তিন মেয়ের নামে লিখে দিয়ে যান। এরমধ্যে একটি পুকুর ছোট দু’ ছেলে ও তিন মেয়ের নামে লিখে দেন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে তিন মেয়ে ওই পুকুরের মাছ ধরার জন্য একটি পাম্প মেশিন লাগান। এসময় বড় দুই ছেলে বাঁধা দেয়। একপর্যায়ে মা এগিয়ে এসে সিদ্ধান্ত দেন পুকুরের পানি সেচের পর মাছ ধরে বড় দুই ছেলেসহ সবাই সমান ভাগ করে নিবে। মা এই কথা বলার সাথে সাথে বড় দুই ছেলে এসকান্দার ও হারুনুর রশিদ মিলে মাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। মাকে বাঁচাতে মেয়ে নুজাহান বেগম পারুল ও রোজিনা আক্তার স্বপ্না এগিয়ে এলে তাদেরকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে ওই দুই ছেলে। শুধু তাই নয় আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতেও বাঁধা প্রদান করে তারা। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আত্মীয়স্বজনরা মা ও দুই বোনকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
