শাহপরান খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র। বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, যিনি ১৯৭১ সালে দেশের জন্য সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণ করেছেন এবং বাংলাদেশের বিজয় ছিনিয়ে আনা পর্যন্ত সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। আর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান শাহপরান খান হচ্ছেন যেন এক করোনা যোদ্ধা।বাবার মত মাঠপর্যায়ে নেমে এসেছেন শুধুমাত্র মানুষকে ভালো রাখার জন্য, করোনা থেকে নিরাপদ রাখার জন্য।করোনা মুক্ত দেশ গড়ার জন্য শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট এলাকা নয়,জয় বাংলা স্কোয়াড’র সমন্বয়ক হয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলার অলিগলি চষে বেড়াচ্ছেন অনেকটা নির্ঘুম রাত্রি যাপনের মধ্যে দিয়ে।সাথে একঝাঁক মেধাবী তরুণ শিক্ষার্থী নিয়ে রোদবৃষ্টি উপেক্ষা করে কখনো হেঁটে, কখনো সিএনজি/রিক্সা চড়ে, কখনো মোটরসাইকেল নিয়ে জয় বাংলা স্কোয়াড’র হয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন নিঃস্বার্থ সেবা।জানা যায় যে, উক্ত সংগঠনের সমন্বয়ক হয়ে শাহপরান খান জরুরি পরিবহন, নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য-সামগ্রী পরিবহন, নিরাপত্তা সামগ্রী, ওষুধ সরবরাহ, তথ্য হাব (এরিয়া ভিত্তিক), ইমার্জেন্সি স্বাস্থ্যসেবা (ঘরে যাবে ডাক্তার) সহ শুভানুধ্যায়ীদের সহোযোগিতায় দরিদ্র ও অসহায়দের ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন।জয় বাংলা স্কোয়াড’র হয়ে কাজ করতে পারার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন,” এবার জয় বাংলা স্কোয়াড’র হয়ে ২০০+ মানুষের মাঝে খাদ্য উপহার পৌঁছে দিয়েছি এবং এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য কলেজের শিক্ষার্থীও রয়েছে। আমি চাই দেশ করোনা মুক্ত হওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্যনীতি মেনে সবাই ঘরে থাকুক এবং সুস্থ থাকুক”।অপরদিকে শাহপরান খান সম্পর্কে জানতে চাইলে জয় বাংলা স্কোয়াড’র ফরিদগঞ্জ উপজেলার যুগ্ম- সমন্বয়ক কায়সার আহমেদ অনিক বলেন,শাহপরান একজন মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন অসাধারণ মানুষ, সে ছোট থেকেই সমাজের সেবামূলক কার্যক্রমে জড়িত এবং এই জয় বাংলা স্কোয়াড’র মাধ্যমে অনেক মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে সে সক্ষম হয়েছে।
