মিজান লিটন
চাঁদপুর শহরে বড়স্টেশনে ভূইয়ারা ডিঙ্গি মাঝি ঘাটের পাশে নতুন ঘাট নির্মাণকে কেন্দ্র করে মাঝিদের মাঝে সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে। সরজমিনে দেখা যায়, সোমবার বড় স্টেশন এলাকার দীর্ঘ ৬০ বছরের অধিক পরিচিত ভূইয়ারা ডিঙ্গি মাঝি ঘাটের পূর্ব পাশে আরেকটি নতুন ঘাট বসানো হয়েছে। এলাকার প্রভাবশালী লোকজনের সহযোগিতায় কাদির ফকির, ইউসুফ হালদার, হোসেন মোল্লা সহ বেশ কয়েকজন মাঝি মিলে এ ঘাটটি নির্মাণ করে। পাশাপাশি দু’টি ঘাট হওয়াতে যাত্রীদের মাঝেও বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এর কারনে প্রতিনিয়ত দু’ঘাটের মাঝিদের মধ্যে যাত্রী নিয়ে টানা টানি সৃষ্টি হচ্ছে। যে কোন মুহুর্তে তাদের মাঝে বড় ধরণের সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে ভূইয়ারা ডিঙ্গি মাঝি ঘাট সমবায় সমিতির সভাপতি ছলেমান প্রধানীয়ার সাথে আলাপকালে তিনি জানায়, ভূইয়ারা ঘাটটিতে প্রায় ৬০ বছর পূর্ব থেকে চালু রয়েছে। এখানে এক শত বিশ জন মাঝি রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় ৬০টি ডিঙ্গি এ ঘাট দিয়ে যাত্রী পারাপার করে। এরা পরিবার পরিজন নিয়ে এতদিন ভালই ছিল। হঠাৎ করে একটি মহলের ইঙ্গিতে কয়েকজন মাঝি মিলে আমাদের মাঝে শত্রুতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১০০ গজের মাঝেই আরেকটি ঘাট নির্মাণ করে। এতে আমাদের ঘাটে যাত্রী যাতায়াত কমে যায়। এতে আমাদের সংসার চালাতে অভাব অনটনের মধ্যে পড়তে হবে এবং সকল মাঝিই দু’টি ঘাট হওয়ার কারনে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় কমিশনার শাহআলম বেপারীর সাথে আলাপকালে তিনি জানান, এখানে ১নং গুদারা ঘাট নামে একটি ঘাট ছিল। যেটি অন্ধকারে পড়ে যাওয়াতে লোকজন যাতায়াতে কষ্ট হতো। তাই সেই ঘাটটিই সরিয়ে পশ্চিম দিকে আনা হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে মেয়র মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং তারও সম্মতি রয়েছে। এ ঘাটটি হওয়াতে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী যুবক ওই স্থানে দোকান নির্মান করতে গেলে গতকাল জিআরপি থানা পুলিশ তাদেরকে সেখান থেকে উচ্ছেদ করে দেয় এবং দোকান নিমাণে মালামাল নিয়ে যায়। ভূইয়ারা ডিঙ্গি মাঝি সমিতির নেতৃবৃন্দরা বিষয়টি সু সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

