লহ্মিপুর ইউনিয়নের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার
শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক।। চাঁদপুর সদর উপজেলা ১০ নং মডেল লহ্মিপুর ইউনিয়নের বহরিয়া বাজারে চাল নিয়ে দুই পক্ষের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে তা অবশেষে সমাধান হয়েছে। মডেল থানার ওসি ইবরাহীম খলিলের হস্তক্ষেপে লহ্মিপুর ইউনিয়নের দু’পক্ষকে থানায় ডেকে এনে সমঝোতা হয়েছে।২১ অক্টোবর রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় চাঁদপুর সদর মডেল থানার ২য় তলার হল রুমে উভয় পক্ষের নেতৃবৃন্দকে ডেকে এনে সমঝোতা স্মারকে নেতৃবৃন্দের সইয়ের মাধ্যমে এই অাপোশ হয়।এ সময় উভয় পক্ষের উদ্দেশ্যে চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইবরাহীম খলিল বলেন,অাপনারা জানেন লহ্মিপুর ইউনিয়নের যথেষ্ট নাম ডাক রয়েছে।এই ইউনিয়নটি শুধু সদর নয় পুরো জেলার অনেক ইউনিয়ন থেকে ঐতিহ্যে এগিয়ে।অাপনারা প্রত্যেকেই সজ্জ্বন ব্যক্তিত্ব।তাই অাপনাদের থেকে অার কোন সহিংসতা অামরা অাইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দেখতে চাই না।তিনি অারো বলেন, অামরা বলতে চাই সব বিষয়ের মিমাংশা অাপনারা ইউনিয়ন পরিষদে করতে যাবেন না।ভবিষ্যৎে অাপনাদের নিজেদের গাফিলতির জন্য কোন রকমের কোন দূর্ঘটনা দেখলে অামরা অার কোন সমঝোতায় বসবো না সব গুলারে হাজতের ভিতরে ঢুকিয়ে দিবো।এ সময় ১০ নং লহ্মিপুর ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম খাঁন বলেন,সামনে জাতীয় নির্বাচন।অামরা অতীতের ন্যায় এবারও নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করবো।তুচ্ছ ঘটনায় অামরা নিজেরা নিজেদের অবস্থান নষ্ট কেন করবো?তিনি অারো বলেন,লহ্মিপুর ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগের ঘাঁটি।তাই বিএনপির লোক উস্কানির মাধ্যমে সামান্য ঘটনাকে বড় করার চেষ্টা করেছে।কিন্তু অাজকের সমঝোতার মাধ্যমে অামরা উস্কানিদাতাদের জানাতে চাই লহ্মিপুর ইউনিয়নে অাওয়ামীলীগ ও নৌকা সমর্থনকারীদের ভাঙ্গণ সম্ভব নয়।দলের স্বার্থে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে লহ্মিপুর ইউনিয়নে অামরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম ও ভবিষ্যৎেও থাকবো।এ সময় সমঝোতা শালিসে অারো উপস্থিত ছিলেন,চাঁদপুর মডেল থানার ইন্সপেক্টর হারুনুর রশিদ,মনির হোসেন,পুরাণ বাজার ফাড়ির অফিসার ইনচার্জ রশিদ,অাওয়ামীলীগ নেতা নান্নু হাওলাদার,ওমর পাটওয়ারী,লহ্মিপুর ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অালী অারশাদ মিয়াজী,ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগ নেতা নিলু হাওলাদার,ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি জহির হাওলাদার,সাধারন সম্পাদক ফারুক মাঝী,ইউপি সদস্য নান্নু হাজী,শফু শেখ,মতিন মাঝী,সলেমান মাঝী,শফিক খান,মফিজ হাওলাদার,সফিক গাজী সহ ইউনিয়নের অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ।পরে ১০ নং লহ্মিপুর ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম খাঁন উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দকে নিয়ে সংঘর্ষে অাহতদের চাঁদপুর সদর হাসপাতালে দেখতে যান ও তাদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।এ সময় তিনি উপস্থিত সকলের সামনে অাহতদের চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করবেন বলেও সবাইকে অাশস্ত করেন।
