প্রতিনিধি
মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামে একটি অসহায় নিরীহ পরিবারের প্রায় ২০টি বিভিন্ন জাতের গাছ কেটে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। গাছ কাটতে বাধা দেয়ায় বেদম মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলেও ঐ নিরীহ পরিবারটি সাংবাদিকদের জানান। কালিকাপুর গ্রামের মরহুম ওয়ালী উল্লাহ সরকারের ছেলেদের বসতবাড়ির মূল্যবান বেশ ক’টি রেন্ট্রি কড়ই গাছসহ বিভিন্ন জাতের প্রায় ২০টি গাছ জোরপূর্বক কেটে নিয়ে গেছে একই বাড়ির মফিজ উদ্দিনের ছেলে সাদেক, তার ছেলে কামরুলসহ স্ত্রী-সন্তানরা।
মৃত ওয়ালী উল্লাহর ছেলে ও মেয়ে সাংবাদিকদের জানান, তার বাবা জীবিত থাকতে ৯ শতাংশ ভিটা বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করেন সাদেক গংয়ের নিকট। উক্ত সম্পত্তি তাদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তার বাবা মারা যাবার পর থেকেই সাদেক গং তাদের সম্পত্তির উপর জবরদখল ও অন্যায় অত্যাচার করে আসছে বলেও নিরীহ এ পরিবারটি এ প্রতিনিধিকে জানায়। মরহুম অলি উল্লাহ মজুমদারের ছেলে কবির ও সেলিম এবং কন্যা রাফেজা বেগমের সম্পত্তির উপর রোপণকৃত ১৪টি মূল্যবান গাছ জোরপূর্বক বেশ কয়েক মাস পূর্বে কেটে নিয়ে যায় সাদেক এবং তাদের জায়গায় ১টি দো চালা টিনের ঘর উত্তোলন করে রেখেছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। বাধা দিলেও কোনো প্রতিকার হয়নি। গত মঙ্গলবার আবারো তাদের সম্পত্তির উপর রোপণকৃত ৭টি মূল্যবান কড়ই গাছ কেটে নিয়ে যায় সাদেক গং। এ সময় বাধা দিলে ওয়ালী উল্লাহর ছেলে কবিরকে বেদম মারধর করে এবং গলায় টিপে হত্যার চেষ্টা করে।
সাদেক সরকারের কাছে গাছ কাটার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, যে গাছগুলো কাটা হয়েছে সেগুলোর মালিক মৃত ওয়ালী উল্লাহ গংয়ের ওয়ারিশরা। আমাদের ঘরের নিকট গাছগুলো থাকায় এবং ঘরের ক্ষতিসাধন হওয়ার আশঙ্কায় সেগুলো আমরা কেটে বাড়ি নিয়ে এসেছি।
