দেলোয়ার॥
রমযান আসার পূর্ব মুহুর্তে রমযানে পবিত্রতা রক্ষার্থে স্বাগত র্যালী, মসজিদের খতিবগনের গুরুত্বপূর্ণ নসিহত, শহর ও হাট-বাজারগুলোর বিভিন্ন পয়েন্টে রমজানের পবিত্রতা রক্ষার দাবি সংবলিত রঙ্গীন ব্যনার ফেষ্টুন কোনটিই যেন কাজে আসছে না। পরকালীন চিন্তা ও এসব প্রচরণার কোনটিই হোটেল রেস্তোরা মালিকগনের মানসিকতার পরিবর্তনে সক্ষম হচ্ছে না। তারা তাদের ব্যবসায়ীক লাভ-ক্ষতির হিসাব কষেই চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের হোটেলগুলো। একাধিক হোটেলের মালিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা তাদের কর্মচারীর রুটি-রুজির কথা বিবেচনা করেই হোটেল চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের অহেতুক একটি দাবি হলো রমজান মাসে যদি আমরা হোটেল বন্ধ রাখি, তাহলে আমাদের কর্মচারীরা বেকার হয়ে যাবে এবং ঈদে ছেলে-মেয়েদের পোশাক কিনে দিতে পারবে না। সে চিন্তা করেই রমজান মাসেই আমাদের হোটেল খোলা রাখতে হয়।
চাঁদপুর শহর সহ সদর এলাকার অধিকাংশ বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, দিনের বেলা হোটেল রেস্তোরাগুলো প্রকাশ্যে খোলা রাখা হচ্ছে। কিছু হোটেল-রেস্তোরার সামনে কাপড় দিয়ে ঢাকা থাকলেও কোন প্রকার বাধা না থাকায় অধিকাংশ হোটেলগুলো সামনে কোন প্রকার ঢাকনা না দিয়েই প্রকাশ্যে চালাচ্ছেন। শহরের ওয়ারলেস বাজার, বাগাদী চৌরাস্তা বাজার, বাঘড়া বাজার, সাহেব বাজার সহ চাঁদপুরের অধিকাংশ বাজারগুলোতে একই চিত্র ভেসে উঠেছে। সচেতন কিছু রোজাদার হোটেল মালিকগনকে কিছু বলতে গেলে সৃষ্টি হয় ঝগড়া-বিবাদ। তাই অনেকেই হোটেলের আশে পাশে অবস্থান করেই রোজা পালন করছেন এবং নিরবে এসবে সহ্য করে যাচ্ছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মসজিদের ইমামগন এ বিষয়ে তীব্র ঘৃনা প্রকাশ করলেও হোটেলগুলোর বন্ধ রাখার ব্যাপারে তাদের মধ্যে কোন প্রকার তৎপরতা দেখা যায়নি। তাই পবিত্র এই রমজানের মাসের পবিত্রতা রক্ষার্থে ও হোটেলের আশেপাশে অবস্থানরত ব্যবসায়ীগনের রোজা রাখার সুবিধার্থে দিনের বেলা হোটেল রেস্তোরাগুলো বন্ধের জন্য প্রশাসনের নজরদারি জরুরী মনে করছেন সচেতন মহল।
শিরোনাম:
শুক্রবার , ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

