
এই নির্বাচনে মেয়র পদে তিনজন, ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৫০ জন এবং সংরক্ষিত পাঁচটি ওয়ার্ডে মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৪ জনসহ মোট ৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদিকে এ নির্বাচনটি হওয়ার কথা ছিল গত ২৯ মার্চ। তখন বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী শফিকুর রহমান ভূঁইয়ার মৃত্যুর কারণে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। তবে তখন মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী চূড়ান্তসহ প্রতীক বরাদ্দও হয়ে যায়। তাই পুনঃতফসিলে শুধুমাত্র বিএনপির মেয়র প্রার্থীর জন্যে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়সীমাসহ ভোটগ্রহণের নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়। আর দ্বিতীয় দফা তফসিলে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান আক্তার হোসেন মাঝি। পুনঃতফসিলে আক্তার হোসেন মাঝিই হন নতুন প্রার্থী। এ ছাড়া পূর্বের চূড়ান্ত সকল প্রার্থী বহাল থাকে। তাদের প্রতীকও প্রথম দফায় বরাদ্দকৃত প্রতীক বহাল থাকে। মেয়র পদে অপর দুই প্রার্থী হচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল (নৌকা) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মামুনুর রশিদ বেলাল (হাতপাখা)।
মেয়র পদে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর মধ্যে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিল্লুর রহমান জুয়েলের জয়লাভের সম্ভাবনাই খুব বেশি। এদিকে ১৫টি সাধারণ ওয়ার্ডের কয়েকটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় সে সব ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী একজনই রয়েছেন। তাই তাদের বিজয় নিশ্চিত এমনটাই বলা যাচ্ছে। এরা আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী।
চাঁদপুর নিউজ সংবাদ
