শাহরিয়ার খান কৌশিক ॥
চাঁদপুর শহরের উত্তর রঘুনাথপুরে নারী নির্যাতন মামলার প্রধান আসামী আঃ রহমান খান কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ২নং আশিকাটি ইউনিয়নের উত্তর রালদিয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মেয়ে নাজমা বেগম (২৪) কে যৌতুকের দাবিতে মারধর করার অভিযোগে ৬ জনকে আসামী করে নারী নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। গত সোমবার দুপুরে মডেল থানার এস.আই সেলিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামী উত্তর রঘনাথপুর জাফর খানের বাড়ি আবু তাহের খানের ছেলে রহমান খান (৩৫) কে আটক করেছে। ঘটনার বিবরনে জানা যায় রালদিয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে নাজমা বেগমের সাথে ২০১২ সালে ৩১ আগস্ট ২ লক্ষ টাকা দেন মহড়ে উত্তর রঘুনাথপুর আবু তাহের খানের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আঃ রহমান পরকিয়ার টানে মগ্ন হয়ে উঠে। সে এর পূর্বে আরো ২টি বিয়ে করার পর তা গোপন রেখে নাজমা বেগমকে বিয়ে করে। প্রায় সময় যৌতুকের দাবিতে নাজমা বেগমকে মারধর করত। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। নাজমা বেগম জানায় স্বামী আঃ রহমানের ছোট ভাই খোকার স্ত্রী রুমার সাথে তার পরকিয়ার সম্পর্ক ছিলো। ৩ বার তাকে হাতে নাতে অনৈতিক কাজ করার সময় ধরার পর নির্যাতনের মাত্রা পূর্বের চেয়ে বাড়িয়ে দেয়। এঘটনা জানা যানি হলে আঃ রহমান খান মারধর করে বাড়ি থেকে বেড় করে দেয় ও তালাক দিয়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে করবে বলে হুমকার দেয়। গত সোমবার মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সেলিম ১নং আসামী আঃ রহমান খান ও ৪নং আসামী পুরান বাজার মৃত মতিন খানের ছেলে আসলাম খান (৪০) কে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। কিন্তু মামলার ৪নং আসামীকে অদৃশ্য শক্তির বলে পুলিশ ছেড়ে দেয়। এর প্রতিবাদ করলে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সেলিম মিথ্যে রিপোর্ট কোর্টে পেশ করে দেখিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়।মামলার ৪নং আসামীকে ছেড়ে দেওয়ার পর বাদিকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য লোক মারফত বিভিন্ন চাপ প্রয়োগ করছে বলে নাজমা আরো জানান। ন্যায় বিচারের দাবিতে মামলার বাদি মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে এখন দিসে হারা।

