স্টাফ রিপোর্টার ॥
চাঁদপুর শহরের চক্ষু হাসপাতাল সংলগ্ন মৃত আতিকুর রহমানের পুত্র ইট-বালি ব্যাবসায়ী মিলনের ছোট ভাই সুমন মজুমদারকে মারধর করেছে একই এলাকার নবির হোসেনের পুত্র সোহাগ, সবুজ ও মান্নান মিজির পুত্র সেলিম মিজি।
আহত সুমন মজুমদারের বড় ভাই ব্যবসায়ী আবুল কাসেম মিলন জানান, আমরা দির্ঘদিন ধরে এ এলকায় শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছি। এখানে আমি ইট-বালুর ব্যবসা পরিচালনা করছি। ব্যবসার সুবাধে এলাকার কিছু লোকজনকে ইট বালু দিয়ে যাচ্ছি। এতে একই এলাকার নবির হোসেনের পুত্র সোহাগ, সবুজ প্রায় সময়ই আমাকে হুমকি ধমকি দিতো, এখানে ব্যবসা করতে হলে তাদেরকে চাঁদা দিতে হবে। এ নিয়ে আমার ছোট ভাই সুমনের সাথে সোহাগের মঙ্গলবার রাতে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সোহাগ তার হাতের কাছে থাকা ইট দিয়ে আমার ছোট ভাইয়ের মাথায় আঘাত করে। এ সময় তার ভাই সবুজ ও মৃত মান্নান মিজির পুত্র সেলিম এগিয়ে এসে তারাও দেশিয় অস্ত্র দিয়ে আমার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। তার ডাকচিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে গেলে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে সুমনকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়।
এলাকাবাসী জানায়, সোহাগ ও সবুজ ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নানান ধরনের অপকর্মের সাথে লিপ্ত রয়েছে। বেশ কিছুদিন পূর্বে বিষ্ণুদী মাদ্রাসা রোড থেকে মাদকের একটি বিরাট চালান সহ সবুজকে ডিবি পুলিশ আটক করে। দির্ঘদিন জেলে আটক থাকার পর বেরিয়ে এসে সে তার পূর্বের ব্যবসা রাতের আঁধারে দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে। সে তার এ ব্যবসার জন্য এলাকার যুব সমাজকে কাজে লাগিয়ে তাদেরকেও এ পথে নিয়ে আসছে। এলাকাবাসী আইন শৃঙ্খলবাহিনীর কাছে সু-দৃষ্টি কামনা করছেন তার হাত থেকে যেন এলাকার নিরিহ যুব সমাজ বাঁচতে পারে।
শিরোনাম:
শুক্রবার , ১ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
