প্রায় ২ মাস পূর্বে শুরু হয় শাহরাস্তি পৌরসভার ড্রেন নির্মাণের কাজ। কিন্তু দেখা গেছে যে, ড্রেনের কাজ শেষ না হতেই ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে ব্যবসায়ীরা। আর এতে করে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যায়।
পৌরসভার প্রধান সড়কের কালীবাড়ি বাজার, ঠাকুর বাজার, শাহরাস্তি গেইট দোয়াভাঙ্গা, উপজেলা সদর ড্রেনের কাজ অব্যাহত রয়েছে। বেশ কজন ঠিকাদার এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কিছু স্থানে ইতিমধ্যে কাজ সমাপ্ত হয়েছে। বেশির ভাগ জায়গায় কাজ চলমান রয়েছে। পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো এটি। অনেকেরই ধারণা ছিল পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তায় পানি জমে সড়ক অল্পদিনেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। বেশ ক বছর ধরে চলে আসছে এ দুর্ভোগ। কাদা পানি ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দিয়েই দিনের পর দিন যাতায়াত করছে শাহরাস্তির মানুষ। অবশেষে ড্রেনের কাজ শুরু হওয়ায় জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। কিন্তু এরই মধ্যে ড্রেনের কাজ শেষ না হতেই ড্রেনের সস্নাবের উপরে ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে বাজার ব্যবসায়ীরা। ফুটপাতের উপর দোকানের পসরা সাজিয়ে মনের আনন্দে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। এতে করে প্রতিদিন বাজারগুলোতে আসা হাজার হাজার ক্রেতা ভোগান্তিতে পড়ছে।
গত দু’তিন দিনের বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি আর কাদায় একাকার হয়ে যায়। জনগণকে বাধ্য হয়েই কাদা আর পানি দিয়ে হেঁটে রাস্তা পার হতে হয়। এতে করে এই ব্যস্ততম সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। যারা অবৈধভাবে এ ফুটপাত দখল করে নিয়েছে তাদের উপর পৌর কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করে নি। যদিও মেয়র কাউন্সিলরসহ উপজেলা, থানা কর্মকর্তাগণের যাতায়াতের মূল সড়ক এটি। এ ব্যাপারে কারোই কোনো মাথা ব্যথা নেই। জনগণের যাতায়াতের জন্যে যে ফুটপাত তা যদি জনগণ ব্যবহার না করে স্বল্প সংখ্যক ব্যবসায়ীদের দখলে চলে যায় তা অতি দুঃখজনক। এ ব্যাপারে শাহরাস্তি পৌরসভার মেয়র হাজী আব্দুল লতিফের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, ড্রেন থাকবে জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত। আমরা মাইকিং করে দিবো। তারপরও যদি মালামাল রাখা হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা মালামাল রেখেছে তারা অবৈধভাবে রেখেছে।
