
বাড়ির লোকজন জানায়, হাসু খান তাদের বাড়ির নির্মাণ কাজ দেখাশোনা করছিল।ঘটনার সময় এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী পাগলা সোহেল তার মেয়ে ছোঁয়াকে কাজের স্থানের মিস্ত্রী ধমক দিয়েছে মর্মে নির্মান কাজে বাধা দেয় এবং মিস্ত্রীকে মারতে তেড়ে যায়। এ নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায় পাগলা সোহেল উত্তেজিত হয়ে হাসু খানকে ইট দিয়ে উপর্যপুরি আঘাত করে। মুহুর্তের মধ্যে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখন তার ভাবী ও অন্যরা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে।
