এম.সাখাওয়াত হোসেন (মিথুন), হাজীগঞ্জ-
হাজীগঞ্জের যেখানে সেখানে অবাদে বিক্রিয় হচ্ছে মানহীন বোতলজাত পানি। বিশেষজ্ঞরা এসব বোতলজাত পানির মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলেছেন ২/৩টির প্রতিষ্ঠানের বোতলজাত পানি ছাড়া অন্য সব বোতল জাতপানি মানসম্পন্ন নয়। তথাকথিত মিনারেল ওয়াটার পান করে অনেকেই রোগ ব্যদিতে আক্রান্ত্ম হচ্ছেন। জন স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পরেছেন। বর্তমানে হাজীগঞ্জে গঙ্গা, যমুনা, ইউরেকা, বর্ষা, নিলগীরি, প্রাইম, লাইফ, মিম, প্রেস, আইস মিনারেল নামে অসংখ্য মানহীন বোতলযাত পানি বিক্রি হচ্ছে। গুনগত মান না রক্ষার কারণ সহ নানা কারণে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। বাসা বাড়ী ও আনাসে কানাসে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা ভুঁইফোঁড় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বি,এস,টি আইর একজন কর্মকর্তা বলেন অল্প পুজিতে বেশি মুনাফার লোভে ওয়ান লাইন ফিল্টারেটেট হাউজ হুল্ড টাইপ প্ল্যাট বিভিন্ন গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন লোকবল সংকটের জন্য তারা কুলিয়ে উঠতে পারচ্ছে। জানাযায় অনুমোদন না নিয়ে অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে কিছু লোক রাতারাতি ধনি হয়ে উঠছে। আর প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এ বিষয়ে প্রশাসনের কোন প্রকার নজর দারি নেই বলে জানায় সচেতন মহল। পানির মতো অত্যন্ত্ম কোমল এবং স্পর্শকাতর পন্য নিয়ে উৎপাদনকারী প্রতিষ্টানগুলো ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা দকরছে। মিনারেল ওয়াটার না বলে এটিকে বোতল ওয়াটারউল্লেখ করে বিশুদ্ধ পানির নামে আমরা এখন বোতল পানি পান করছি। কারণ এটা এখন কালচারে পরিণত হয়েছে। এক সময় গ্রামের মানুষ পুকুরের পানি পান করতেন নির্দ্ধিধায় আর এখন টাকা দিয়ে এসব বোতল পানি পান করে রোগব্যাধিতে আক্রান্ত্ম হচ্ছেন। টিউবওয়েল তো বটেই, বৃষ্টির পানি ছাড়া নদীর পানিতেও মিনারেল আছে কিন্তু আমাদের দেশে বোতল জাত মিনারেল ওয়াটারে বাড়তি এমন কী আছে? ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার বলতে প্রকৃত অর্থে ঝরনার পানিকেই বোঝায় হয়। সাধারণ পানি থেকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামসহ অতিরিক্ত মিনারেল যোগ করা হয়। হাজীগঞ্জে মিনারেল ওয়াটার নামধারী প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত আলট্রাভায়োলেট রে দিয়ে পানিকে ব্যাকটেরিয়ামুক্ত করে। অধিক লাভের আশায় এই সব অসদু ব্যবসায়ীরা বাজারজাত করে। প্রতি বোতল পানি তৈরি করতে প্রতিষ্ঠানগুলোর সাড়ে ৩ টাকা থেকে ৪ টাকা খরচ হওয়ার কথা। বোতল, লেভেল ও বাজারজাতসহ আনুষঙ্গিক সব মিলিয়ে প্রতি লিটার পানিতে খরচ হয় সাড়ে ৬ থেকে ৭টাকা। অথচ বাজারে ৪০/৫০ টাকা হারে বিক্রি হচ্ছে বলে জানাযায়। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ালেও দেখার কেউ নেই।
শিরোনাম:
সোমবার , ২৫ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
