গত বৃহস্পতিবার রাতে হাজীগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামা মেহরাজ হোসেন (২২)কে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে শিশুটির মা রাজিয়া সুলতানা ভাইকে একমাত্র আসামী করে গত ১৭ আগস্ট হাজীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের সুদিয়া গ্রামে। আটককৃত মেহরাজ শিশুটির মায়ের মামাতো ভাই। শিশুটি স্থানীয় সুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। শিশুটি উদ্ধারের পর মেডিকেল রিপোর্টের জন্যে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মেহরাজ উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের সুদিয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসি আবদুল লতিফের ছেলে। হাজীগঞ্জ থানায় মামলা নং-১৬।
শিশুটির মা ও মামলার সূত্রে জানা যায়, শিশুটি মেহরাজের কাছে প্রাইভেট পড়তো। প্রতিদিনের মতো গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় মেহরাজের কাছে পড়তে তাদের বসত ঘরে যায় শিশুটি। ঘরে কেউ না থাকায় মেহরাজ শিশুটিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি শিশুটি তার মাকে জানালে শিশুটির মা ধর্ষককে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং এই ঘটনা কাউকে না জানাতে হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।
রাজিয়া সুলতানা আরো জানান, ১ বছর পূর্বে আমার স্বামীর সাথে ডিভোর্স হয়ে যায়। জীবিকার তাগিদে ঢাকায় চাকুরি করি। আমার মেয়ে আমার বাপের বাড়িতে তার নানির সাথে (আমার মায়ের সাথে) থাকে এবং এখানেই পড়ালেখা করে।
এ ঘটনায় হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাঃ জাবেদুল ইসলাম বলেন, মামলা হওয়ার পর আসামীকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমকে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
