
শাহরিয়ার খাঁন কৌশিক ॥
হাজীগঞ্জ উপজেলায় মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরীর ফাঁসির পর গায়েবানা জানাযার দায়ে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল মান্নান বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মীর হোসাইন, ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন পরাণসহ ২৯ জন এজহার নামীয় ও ৪০/৫০ জন অজ্ঞাত জামায়াত-বিএনপির নেতা-কর্মীকে আসামী করা হয়। রবিবার ভোরে হাজীগঞ্জ পৌরসভার পশ্চিম মকিমাবাদে অবস্থিত আল-কাউসার স্কুল প্রাঙ্গনে গায়েবানা জানাযার নামাজ আদায় করেন নেতা-কর্মীরা।
হাজীগঞ্জ থানার টহলরত পুলিশ আল-কাউসার ক্যাডেট মাদ্রসার প্রধান শিক্ষক গোলাম ফারুক ইয়াহিয়া (৪৩) ও বলিয়া গ্রামের জামায়াত কর্মী জাকির হোসেন কে আটক করে। পরে তাদেরকে নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে ছয় মাসের কারাদন্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মনির হোসেন জানান, আল-কাউসার স্কুল প্রাঙ্গনে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মীর হোসাইন গায়েবানা জানাযা নামাযের ইমামতি করেন। গায়েবানা জানাযার নামায়ে অংশ নেয়া দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যান্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে গেছে।
হাজীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহআলম জামায়াত-বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
