চাঁদপুর নিউজ রিপোর্ট
যাত্রীবাহী ২টি লঞ্চে নৌ পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১২ বস্তা ৫২ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করার ঘটনার অনিয়মের অভিযোগে ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার চাঁদপুওে এসেছেন। আজ সোমবার সকাল ১১ টায় ট্রাকঘাট বিআইডিøটির মোড় ভাড়াটিয়া ভবনে নৌ পুলিশের কার্যালয়ে এসে তদন্ত করে। ঘটনার সময় প্রত্যক্ষ দর্শী লঞ্চ সুভারভাইজার সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যদেও স্বাক্ষ্য গস্খহণ করে। জানা যায়, ৩ তারিখ বৃহস্পতিবার রাত ১টায় নদীর মাঝ খানে মানিক-৫ ও ফারহান-৩ লঞ্চে অভিজান চালিয়ে কারেন্ট জাল জব্দ করে নৌ পুলিশ। শুক্রবার সকাল ১১ টায় নৌ পুলিশের এস পি মোঃ শাহরিয়ার চাঁদপুরে আসার পর তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত জালগুলো পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। ষাটনল এলাকায় মেঘনা নদিতে থাকা অবস্থায় মানিক ৫ ও ফারহান ৩ লঞ্চে অভিজান চালিয়ে কারেন্ট জাল জব্দ করে। পরে লঞ্চ দুটি চাঁদপুর লঞ্চ ঘাটে এনে লেবার দিয়ে লঞ্চের ভিতরে আলুর বস্তার নিচ থেকে কারেন্ট জাল তুলে নিয়ে আসে। এ সময় নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বি এম নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ইন্সপেক্টর আবুল হোসেন ও ইনচার্জ মোশারফ হোসেন সঙ্গীয় পুলিশ যাত্রীবাহী ২টি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ১২ বস্তা কারেন্ট জাল জব্দ করেছে। শুক্রবার সকাল ১১ টায় নৌ পুলিশের এস পি মোঃ শাহরিয়ার চাঁদপুরে আসার পর তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত জালগুলো পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। কারেন্ট জালের মালিকপক্ষরা ঢাকা নৌ পুলিশের অধিদপ্তওে অনিয়মের অভিযোগ করার পর এডিশনাল ডিআইজি মোঃ রফিক, পুলিশ সুপার আঃ মান্নান ঘটনা তদন্তে চাঁদপুরে আসেন। তারা সবার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পরে ঢাকায় ফিরে যান।

