চাঁদপুর শহরের সেন্ট্রাল হাসপাতালে মোবাইল চুরির দায়ে এক যুবককে নির্মমভাবে নির্যাতন করলো হাসপাতাল কতৃপক্ষ। লগু পাপে গুরুদন্ডের মতোই ওই যুবককে প্রায় ২ঘন্টা আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন করে মাথা ন্যাড়া, গালায় জুতার মালা, এবং কমরের বেল্ট দিয়ে পিটানো হয়েছে।
নির্মম এই ঘটনাটি ঘটেছে আজ সোমবার দুপুরে ১টায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চাঁদপুর শহরের সেন্ট্রাল হাসপালের ৪০৮ নং কেবিনের মতলব দক্ষিণ নুলুয়া থেকে আসা শান্তা বেগম নামের এক রুগীর মোবইল ফোন চুরি সময় নাছির নামের এক যুুবককে হাতেনাতে আটক করে । আটক যুবক শহরের জামতলা এলকার বাসীন্দা। চোর আটকের খবর শুনে হাসপাতালের কর্মরত রাসেদ, জাহিদ ও পাশ্ববর্তী একটি ফার্মেসীর কর্মচারি রাব্বিসহ অন্যান্য স্টাফরা ছুটে আসে। পরে আটক নাছিরকে একটি কক্ষে আটক রেখে বেদম মারধর করা হয়।
এখানেই ঘটনার শেষ নয়। হাসপাতালের ওই স্টাফরা মোবাইল চোর নাছিরকে টেনে হেঁচড়ে হাসপাতালে সিঁড়ি দিয়ে ৪র্থ তলার ছাদে উঠায়। সেখানে চোর নাছিরের জুতা দিয়ে তাকেই একে একে সকল স্টাফরা বেদম পেটায়। একপর্যায়ে মাথা ন্যড়া করে আটক চোরের কমরের বেল্ট খুলে জুতার মালা পরিয়ে ছাদ থেকে কুকুরের মতো মারতে মারতে নিচে নামিয়ে আনে। মর্মান্তিক এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত বেশ ক’জন প্রত্যক্ষদর্শী ওই স্টাফদের চোরকে আর না মারার জন্য অনুরোধ এবং বাধা প্রদান করলেও কারো কথাই স্টাফরা পাত্তা দেয়নি। এতে ওই প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, চোরকে পুলিশে না দিয়ে হাসপাতাল কতৃপক্ষ আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে এভাবে মারধর করাটা কোনো সভ্য সমাজের কাজ নয়। তারা আরো জানায় এই ঘটনায় যুবকটি মারাও যেতে পরতো।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ২৮ জুলাই, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চাঁদপুর নিউজ সংবাদ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।

