
স্টাফ রিপোর্টার:
চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থবাণিজ্যসহ অনিয়মের অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষদের পাঠদানের চেয়ে মডেল টেস্ট, কোচিং বাণিজ্যে জড়িয়ে পরেছেন কলেজ অধ্যক্ষ এমএ মতিন মিয়াসহ অন্যান্য শিক্ষকরা। শিক্ষাকে বাণিজ্যে পরিণত করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা। এর ফলে এ অবৈধ শিক্ষা বাণিজ্যে একলেজে শিক্ষার মান ক্রমশ অবনতি ঘটছে। কলেজের ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষের নিয়মিত ছাত্রীরা এক লিখিত অভিযোগে তুলে ধরেন। ওই অভিযেগে জানা যায়, কোচিং ও মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে প্রতি ছাত্রীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে আদায়, বাধ্যতামূলক কোচিং করা, নির্বাচনী পরীক্ষার প্রবেশ পত্রের নামে ১২০ টাকা করে আদায়, নিয়ম বহির্ভূতভাবে অধ্যক্ষ সরকারি বাসা ভাড়ার টাকা আদায় করেন অথচ তিনি কলেজের মূল ভবনের দ্বিতীয় তলার অতিথি কক্ষে বসবাস করেন। প্র্যাক্টিকেল পরীক্ষার নামে পদার্থ বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান, ভূগোল ও রসায়ন প্রতি বিষয়ে ১০০ টাকা করে আদায় করেন যা নামমাত্র প্র্যাক্টিকেল পরীক্ষা। প্রতিবছর কলেজের বিভিন্ন পরীক্ষার অডিট মোকাবেলার নামে অনার্স পার্ট ১, ২, ৩, ৪, ডিগ্রী, মাস্টার্স, কলেজের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার নামে ২৫ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকেন। এছাড়া নিজের খাবারের ব্যবস্থা হোস্টেলের মেয়েদের খাবার থেকেই নিয়ে থাকেন। কলেজের হিসাব রক্ষক ও বিভিন্ন কমিটিতে নিজের পকেটের শিক্ষক রেখে কলেজ ফান্ডের বিভিন্ন অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন অধ্যক্ষ এমএ মতিন মিয়া এমন অভিযোগ উঠেছে ছাত্রীদের পক্ষ থেকে। এসব বিষয়ে ওই কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এমএ মতিন মিয়া জানান, ‘এসব অভিযোগ সঠিক নয়। কলেজে একটি রুম আছে যেটি রেস্ট রুম। আগের অধ্যক্ষও এখানে থাকতেন। যেহেতু আমার ফ্যামিলি সাথে থাকে না, তাই আমি এই রুমেই কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নেই। আমি পেমেন্ট করেই ছাত্রীদের খাবারের সাথে খাই। কোচিংয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অভিভাবক, একাডেমিক কাউন্সিলের শিক্ষকদের সমন্বয়ের সিদ্ধান্তে ভালো রেজাল্টের স্বার্থে কোচিং ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আর অন্যান্য যে সব বিষয়ে বলা হয়েছে তা অতিরঞ্জিত ও মিথ্যা।’
