হাজীগঞ্জে নিজ বিদ্যালয়ের হিন্দু ছাত্রী নিয়ে পালিয়ে যাওয়া মুসলিম শিক্ষক শরীফ হোসেন (৩১)কে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। উদ্ধারকৃত ছাত্রীকে গাজীপুর কিশোর সংশোধনী কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার চাঁদপুরের একটি আদালতে এদেরকে নেয়া হলে আদেশ প্রদান শেষে শিক্ষক কারাগারে আর ছাত্রীটিকে গাজীপুর পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন চাঁদপুর কণ্ঠকে জানিয়েছেন।
একই ঘটনায় আটক শিক্ষক শরীফ হোসেনের বোন জামাই মনির হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। গত বুধবার কুমিল্লা থেকে শিক্ষক শরীফ হোসেন, তার বোন জামাই ও ছাত্রীকে নিয়ে আসে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ একটি দল। প্রযুক্তির সহায়তায় এদেরকে আটক করা সম্ভব হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি কোনো একসময় ওই ছাত্রী-শিক্ষক হাজীগঞ্জ ছাড়ে। ঘটনার পরেই ছাত্রীর পরিবার হাজীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ছাত্রীটি হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু ব্যবহারিক পরীক্ষা না দিয়ে মেয়েটি প্রেমের টানে শিক্ষকের হাত ধরে পালিয়ে যায়। শরীফ হোসেন একই বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগে এনটিআরসি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত। সে হাজীগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার তারাপাল্লা গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে।
থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার শিক্ষক ও ছাত্রীকে চাঁদপুরের আদালতে নেয়া হলে শিক্ষক শরীফ হোসেন ও তার বোন জামাই মনির হোসেনকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। ছাত্রীটিকে আদালতে নেয়া হলে আদালত তাকে গাজীপুরের কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ প্রদান করে।
