
গোলাম মোস্তফা
চাঁদপুরের অত্যান্ত সুপরিচিত মুখ, যার পদচারণা এ শহরের ক্রীড়া, সাহিত্য-সংস্কৃতিতে, এক কথায় সকল ক্ষেত্রে যার সচরাচর পদচারণা। একজন সজ্জন যুবক হিসেবে সকলের কাছে সুপরিচিত। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ চাঁদপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান চাঁদপুর জেলা শাখার দু” বারের সভাপতি জাফর ইকবাল মুন্নার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমাজে বসবাসরত নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের সহযোগিতার বিষয়ে প্রশংসনীয় পোস্ট দেয়া কে কেন্দ্র করে, রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয়, এতে অনুপ্রাণিত হয়ে স্হানীয় কয়েকজন এমন কমসুচী গ্রহণ করার ইচ্ছে ব্যক্ত করেছেন। আতংকের ভাইরাস “” করোনা”‘সংক্রামক থেকে জনগণকে সচেতন ও রক্ষায় সারা দেশে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে সকলে ঘরে অবস্থানের ঘোষণার পর সরকার ও দেশের বিভিন্ন সংস্থা গরীব, অসহায় ও দুঃস্হদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলেও সমাজে বসবাসরত নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ গুলোর করুন অবস্থা । তারা পারছেন না হাত পাততে, পারছেন না কারো কাছে কিছু বলতে। এ অবস্থায় তাদের চলছে নীরব বুকফাটা আতনাদ।
তাদের উদ্দেশ্য জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জাফর ইকবাল মুন্না গত ৩১ শে মার্চ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা ১ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অথ্যাৎ তাঁর নিজ নামে ব্যবহৃত ফেসবুক পেজে চাঁদপুরের নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে এক আবেগঘন স্টাটাস দেন। উক্ত স্টাটাসটির লেখার পরে তিনি দু” হাত ধরি দিয়ে বাধা একটি ছবি ও ঐ লেখার সাথে পোস্ট করেন। এ ছবিটি দিয়ে তিনি নিম্ন মধ্যবিত্তের হাত এমনটি বুজিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন – চাঁদপুরে নিম্ন মধ্যবিত্ত যারা আছেন, যারা চাইতে পারছেন না, কিন্তু কষ্টে আছেন, আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।
যোগাযোগের জন্য তিনি, তাঁর নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার দেন।
এ পোস্ট করার পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৬৮৩ টি শেয়ার, ২৭০ টি কমেন্টস এবং ৯৬০ টি লাইক পড়ে।
কমেন্টসে অনেকে বলেন এটি নিশ্চয়ই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কেউ কেউ সহযোগিতার পরিমাণ জানতে চাইলে তিনি তাঁর উওরে বলেন, এটা আমার সামর্থ্য অনুযায়ী, বিবেকের তাড়নায় সমাজের এ শ্রেণীর মানুষ গুলোর জন্য আমার সামান্যতম সহযোগিতা।
একইভাবে তিনি তাঁর একই ফেসবুক পেজের একই শিরোনামে গত ১ এপ্রিল বুধবার আরেকটি পোস্ট দেন। সেখানেও তিনি পূবের মতো ঐ শ্রেণীর মানুষকে সহযোগিতার জন্য তাঁর সাথে যোগাযোগ করার জন্য আহবান জানান। একই ভাবে সহযোগিতা কারীর নাম পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে উল্লেখ করেন।
এ পোস্টটিও তাঁর ব্যাপক সাড়া জাগায়।
এদিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জাফর ইকবাল মুন্নার এ মানবিকতার কাজের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের উৎসাহ ও প্রেরণা বিষয়ক পোস্ট দিয়েছে। এমনকি তাঁর এ ঘোষণার পরই চাঁদপুর পৌর সভার ৫নং ওয়াডের রনি ভুইয়া একই ভাষায় তাঁর ফেসবুক ওয়ালে একটি পোস্ট দেয়। রনি ভুইয়া তাঁর পোস্টে এ কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোঃ জাফর ইকবাল মুন্না কে অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন। চাঁদপুর পৌরসভা এলাকায় আরো ২ ব্যক্তি এমন পোস্ট দিয়ে তাকেই অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।
অপরদিকে জাফর ইকবাল মুন্নার এ কাজের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন সুধীজন তাদের ফেসবুক পেইজে স্টাটাস দিয়ে বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেএে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অথ্যাৎ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা গড়তে পারবে। তাদের পিতাগন সেদিন যেমন কোনো লোভ লালসার দিকে না, তাকিয়ে নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে
স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, আজ তাদের যোগ্য উওরসুরী জাফর ইকবাল মুন্নারা জাতির ক্রান্তি কালে পাশে দাড়িয়েছে। তাই তাদের জন্য শুভ কামনা।
এদিকে এ পোস্টের বিষয় জাফর ইকবাল মুন্নার সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এ শ্রেনীর পরিবার গুলোর বিষয়ে জানা বা অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই আমার সামথ্য অনুযায়ী নিজের বিবেকের তাড়নায় সমাজের মানুষ গুলোর জন্য কিছু করার চেষ্টা হিসেবে নৈতিক দায়িত্ব বোধ বলে আমার এ প্রয়াস। এ ছাড়া তিনি আর কোনো কিছু বলতে রাজী হননি।
উল্লেখ্য মোঃ জাফর ইকবাল মুন্নার পিতা সুবেদার মরহুম আঃ রব ছিলেন জেলা মুক্তি যোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এবং মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনি তৎকালীন সময়ে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।
জাফর ইকবাল মুন্নার সেই ফেসবুক পোস্টটি নিম্নে হুবহু তুলে
ধরা হলো – চাঁদপুরে নিন্ম মধ্যবিত্ত যারা আছেন,যারা চাইতে পারছেন না কিন্তু
কস্টে আছেন,আমার সাথে যোগাযোগ করবেন।গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।
আামার নন্বর:
01712080225
