সাইফুল ইসলাম (সুমন), কচুয়া।। ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ। আজ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। আজ কচুয়ার মেঘদাইর তাহেরীয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হয় ।
দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য মাদ্রাসার পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ কে এম গোলাম মোস্তাফা।
সকাল ১০ টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ৭ ই মার্চ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও শিক্ষকবৃন্দ ভাষণ দেন।
মাদ্রাসা গভর্নিং বডি মাদ্রাসার কর্মসূচির সংগে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণ করছে।
সুদীর্ঘকালের আপসহীন আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তদানীন্তন রেসকোর্স ময়দান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে এই মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
গত বছরের ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।
বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণের দিনটি প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসলেও জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতিতে উজ্জীবিত জাতি এবার দিনটি ভিন্নমাত্রায় উদযাপন করে।
শিরোনাম:
মঙ্গলবার , ১৯ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
এই ওয়েবসাইটের যে কোনো লেখা বা ছবি পুনঃপ্রকাশের ক্ষেত্রে ঋন স্বীকার বাঞ্চনীয় ।
