বঙ্গবন্ধু সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে স্বাধীনতার জন্য জনগণকে সকল প্রস্তুতি ও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন
———– মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।
শাহরাস্তি ব্যুরোঃ বিএনপি স্বাধীনতার ঘোষণার কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। মেজর জিয়াউর রহমান জীবিত থাকাকালে কখনও স্বাধীনতা ঘোষণার কথা বলেননি। সরকারের একজন কর্মকর্তা কখনও স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করতে পারেন না। যিনি জনগণের প্রতিনিধি তিনিই স্বাধীনতা ঘোষণা করার অধিকার রাখেন। বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। মেজর জিয়া শুধু যুদ্ধ শুরু হয়েছে, তা জনগণকে জানিয়ে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে স্বাধীনতার জন্য জনগণকে সকল প্রস্তুতি ও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তার ভাষণের পর থেকেই বাঙ্গালী জাতি যুদ্ধের জন্য সকল প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। পৃথিবীর কোন দেশে স্বাধীনতার জন্য কোন নেতা এমন ভাষণ দিয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেনি। বঙ্গবন্ধুর ভাষণে এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম। এ ঘোষণার পর নতুন করে কোন স্বাধীনতা ঘোষণার প্রয়োজন হয় না। গতকাল বুধবার বিকাল ৩টায় ঐতিহাসিক মেহার কালীবাড়ীর নিজমেহার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৭ মার্চ উপলক্ষে স্মরণকালের বিশাল জনসভায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পীকার-১ মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জনসভায় শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উল্যাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান মিন্টুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক হাজী আবদুল লতিফ। এসময় অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সিঃ সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মজুমদার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খোকন সরকার, পৌর আওয়ামীলীগের সিঃ যুগ্ন-আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর মোঃ আদেল, চৌধুরী মোঃ মোস্তফা কামাল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জেড এম আনোয়ার, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সভানেত্রী জাহানারা ইমাম, আওয়ামীলীগ নেতা ও কাউন্সিলর নূর মোহাম্মদ মোল্লা, মুকবুল আহম্মদ, উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক আহসান মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, সিঃ যুগ্ন-আহবায়ক ওমর ফারুক দর্জি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি রেদোয়ান হোসেন সেন্টু, সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন বাহার, মেহার উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন, সাবেক পৌর যুবলীগের আহবায়ক শাহ এনামুল হক কমল, পৌর যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম বাবুল, সিঃ যুগ্ন-আহবায়ক ও কাউন্সিলর তুষার চৌধুরী রাসেল, জেলা সিএনজি মালিক সমিতি সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম সুমন, মেহের উত্তর ইউপি আ’লীগ সভাপতি হাজী জাবেদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাহবুব আলম, রায়শ্রী উত্তর ইউপি আ’লীগ সভাপতি মোঃ মোশারফ হোসেন মুশু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নিমাজ উদ্দন মিজান সহ উপজেলা আওয়ামীলীগ, পৌর আওয়ামীলী, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি/সম্পাদক, মহিলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের উদ্যোগে নেতৃবৃন্দ উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিছিলযোগে মেহার কালীবাড়ী নিজমেহার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এসে সমবেত হয়। মুহুর্তের মধ্যে জনসভার স্থল মহাসমাবেশে রূপ নেয়। আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
