রফিকুল ইসলাম বাবু ॥ শনিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের দক্ষিণ তরপুরচন্ডি গুচ্ছগ্রাম এলাকা সামনে থেকে আন্তঃজেলা গরু চোর চক্রের নয় সদস্যকে ৬ টি গরুসহ আটক করেছে পুলিশ। একই সময় চুরি হওয়া বাচুরসহ ৫ গরু ও একটি জবাইকৃত গরুর গোশত উদ্ধার করা হয়। শনিবার বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে এঅভিযান পরিচালনা হয়। আটক চোর চক্রের সদস্যরা হচ্ছেন: চাঁদপুর সদরের চক্ষুহাসপাতাল এলাকার নবীর হোসেনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (সবুজ) (৩৫), হাজীগঞ্জ উপজেলার মহেশপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে মো. মহসিন (৪০), একই উপজেলার মকিবাদ এলাকার মৃত আবুল কালমের ছেলে মো. সোহেল (২৪) ও মো. আব্দুল আজিজ (৩২), সদর উপজেলার লদেরগাঁও গ্রামের মো. সিরাজের ছেলে মো. সেলিম (৩৩), পূর্ব বালিয়ার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. মাহফুজ (২৪) বাগাদী ইউনিয়নের শফি উল্যাহর ছেলে শহিদুল্যাহ (৩২), বিষ্ণুদী মৃত আব্দুল মান্নান মিজির ছেলে রবিউল হোসেন (৩২), ফরিদগঞ্জ পৌরসভার কাছিয়াড়া এলাকার মজিবুল হকের ছেলে বোরহান (৩৪)।
ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে ফরিদগঞ্জ পাইকপাড়া এলাকা থেকে প্রথমে বোরহানকে আটক করে পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার দেয়া তথ্য মতে শনিবার দুপুরে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকার পুকুর পাড়ের একটি ঘরে বাকী চোর চক্রের সদস্যদের আটক করে। একই সময় বাচুরসহ ৫টি গরু এবং জবাইকৃত গরুর গোশত উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।
চাঁদপুর পুলিশের অতিরিক্ত সুপার আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, এই চোর চক্রটি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু চুরি করে চাঁদপুর নিয়ে আসতো। তারপর তারা কখনো জবাই করে মাংস বিক্রি করতো, আবার কখনোবা জীবিত গরু বিক্রি করতো। বেশ কয়েকদিন তাদের অনুসরণ করে অবশেষে শনিবার বিকেলে হাতেনাতে ধরা হয়। তিনি জানান, এ যাবত তারা কমপক্ষে ১০০ গরু চুরি করে এনে বিক্রি করে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হরুনুর রশিদ জানান, আটক চোর চক্রের বিরুদ্ধে মামলা হবে। উদ্ধারকৃত গোশত এতিমখানা বিতরণ করা হয়েছে।
