
রফিকুল ইসলাম বাবু।
দুই মাস অভয়াশ্রম শেষে কাঙ্খিত ইলিশ ধরা পড়ছে না চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনায়। নদীতে গিয়ে হতাশ হয়ে ফিরছে জেলেরা। আর তাই বাড়ছে ঋণের বোঝা, জেলে পল্লীতে চলছে হাহাকার। সংশ্লিষ্ঠ বিভাগ বলছে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। নদীতে ¯্রােত প্রবাহ বৃদ্ধি ও বর্ষা শুরু হলে মাছ ধরা পড়তে শুরু করবে। অথচ চাঁদপুর পদ্ম-মেঘনায় ধরা পড়ছে না কাংখিত ইলিশ। এতে সংসার চালাতে গিয়ে ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়ছে চাঁদপুরের প্রায় ৪১ হাজার জেলে পরিবার। একারণে বাড়ছে হাহাকার। নদীতে মাছ নেই, নৌকা নিয়ে নদীতে গেলে জ্বালানী/ তৈল খরচ-ই উঠে না বলে জানালেন জেলেরা। সাধারণত এটা ইলিশের মৌসুম না তারপরেও যা ধরা পড়ছে, তা দিয়ে প্রমান করে নদীতে মাছ আছে। আর তাছাড়া নদীতে নব্যতা সংকট বুড়িগঙ্গার পানি এ নদী দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে মাছের উৎপাদনে বাধা হচ্ছে। তারপরেও আশা করা হচ্ছে এবছর ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। মৎস্য বিভাগ বলছে জেলেদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এখন মাছ কম ধরা পড়লেও কিছুদিন পর নদীতে প্রচুর মাছ ধরা পড়বে। মৎস্য গভেষণা ইসষ্টিটিউট সুত্রে জানা গেছে, চলতি বছর প্রায় ২৯ হাজার কোটি জাটকা জনতায় যুক্ত হয়েছে। যা গত বছর ছিলো ২৭ হাজার কোটি। গত বছর সাড়ে সাড়ে তিন লাখ মে.টন ইলিশ উৎপাদন হলেও এ বছর ইলিশ উৎপাদন চার লাখ মে.টন ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
