
স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর শহরের মির্জাপুরে বৈধভাবে ক্রয়কৃত সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা করছে একটি মহল। এ নিয়ে দু’ পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
জানা যায়, চাঁদপুর পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডের ২৮নং মির্জাপুর মৌজার খতিয়ান নং-১১ (সিএস), ১০০ (বিএস) দাগ নং- ২১/১২৬-এ ১৪ শতক জমি ক্রয় করে ভোগ দখলে আছেন রাশিদা বেগম (৩৬)। গত ক’ দিন যাবৎ এ জমির উপর সাইনবোর্ড সাঁটানো নিয়ে দু’ পক্ষের বাগ্বিতণ্ডা হয় এবং রাতের আঁধারে লুৎফুর রহমান বাবলু খান (৫০) তার লোকজন নিয়ে একটি সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে দেয়। এতে জমির মালিক রাশিদা বেগম বাধা দিলে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়। এ ঘটনা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সমাধানের চেষ্টা করেন। এতে বাবলু খান কোনো কর্ণপাত করেননি। এহেন অবস্থায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ হলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।
এ ব্যাপারে কথা হয় রাশিদা বেগমের সাথে। তিনি জানান, ৮ বছর হলো এ সম্পত্তি শরীফ উদ্দিন ও জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে আমি ক্রয় করেছি। আজ কয়েক মাস হলো পশ্চিম মৈশাদীর মৃত ওয়ালি উল্লাহ খানের ছেলে লুৎফুর রহমান বাবলু খান আমাদের কেনা জমির উপর তার নামে সাইনবোর্ড লাগান। আমরা বাধা দিলে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন। এ ছাড়া আমাদেরকে দেখে নিবে বলে হুমকি দেন। আমরা আমাদের নিরাপত্তার জন্য ও জমি সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। যার জিডি নং-৫৪৫।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ক’জন ব্যক্তি বলেন, লুৎফুর রহমান একজন ভূমিদস্যু। বহিরাগত কোনো লোক এখানে জমি কিনলে তাকে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। এ ছাড়া তার সাথে কারো কোনো কিছু হলেই ব্যাংক ডাকাতি মামলার আসামী করে মামলা দেয়া হবে বলে হুমকি প্রদান করে। লুৎফুর রহমান সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকে নাইটগার্ড হিসেবে চাকুরি করেন বিধায় তিনি এ হুমকি দিয়ে যান। লুৎফুর রহমান বাবলু খানের সাথে এ ঘটনার বিস্তারিত জানতে তার নিজস্ব মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
